এবার শান্তিপুর ও দিনহাটাতেও নিশ্চিত জয়ের আশায় বুক বাঁধছে তৃণমূল কংগ্রেস। একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এই দুই কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন বিজেপি প্রার্থীরা। কিন্তু যেহেতু তাঁরা লোকসভার সাংসদ, তাই তারা পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বিধায়ক পদে। এই কারনবশতই ওই দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন অবশ্যম্ভাবী বলে মনে করছেন রাজ্যবাসী। সেক্ষেত্রে ভোট হতে হবে ছ মাসের মধ্যে। এখানেই তৃণমূলের দাবি, সেই উপনির্বাচনের পরেই সবুজ ঝুলিতে আসবে আরও দুই আসন।
{link}
দিনহাটায় এইবারের ২০২১ নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী ছিলেন কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক। অন্যদিকে তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ঘাসফুলের উদয়ন গুহ। ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে তৃণমূলে আসা উদয়ন এবার মাত্র ৫৯ ভোটে পরাজিত হয়ে যান নিশীথের কাছে। কিন্তু তারপরেই লোকসভার সাংসাদের পদ বজায় রাখতে পদত্যাগ করেছেন নিশীথ। একইভাবে একুশের নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন শান্তিপুরের বিধায়ক জগন্নাথ সরকারও। তিনি আবার রানাঘাটের সাংসদ। নিশীথের মতো ৫৯ ভোটে নয়, তিনি তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীকে পরাস্ত করেছেন ১৫ হাজার ৮৭৮ ভোটে। অর্থাৎ মার্জিন এক্ষেত্রে বিপুল। নিশীথের মতো সাংসদ পদ বজায় রাখতে তিনিও ইস্তফা দিয়েছেন বিধায়ক পদে। যার ফলে স্বাভাবিকভাবেই এখানেও হবে উপনির্বাচন।
{link}
এই দুই কেন্দ্রেই জয়ের আশায় বুক বেঁধেছে তৃণমূল। কারন? কারন হিসেবে তারা বলছেন, একুশের নির্বাচনের ফলাফলে গোটা রাজ্য যেভাবে সবুজের ঝড় উঠেছে, তাতে আর বিজেপিকে কমল করতে দেওয়া হবে না। মানুষ যখন এতোটা আস্থা রেখেছেন, বাকিতেও তারাই রাখবেন। কারণ, উপনির্বাচন হলে উদয়নের জয় প্রায় নিশ্চিত। আর অন্যদিকে শান্তিপূরেও জয় আসবে বলেই ধারনা রয়েছে তাদের। তবে সেই কারনে হাত গুটিয়ে বসে থাকার পাত্র তারা নয়। ইতিমধ্যেই ওই দুই কেন্দ্রে নির্বাচনের প্র্স্তুতি শুরু করে দিয়েছেন ঘাসফুল শিবিরের নেতা ও কর্মীরা। এখন উপনির্বাচনেও কেন্দ্রগুলিতে ঘাসফুল ফোঁটে কি না, তাই দেখার বিষয়…
