আজ হাওড়ায় 'চায়ে পে চর্চা' কর্মসূচীতে সামিল হলেন বিজেপির শীর্ষ স্থানীয় নেতা এবং বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ সায়ন্তন বসু। সভায় উপস্থিত হয়ে দলের অনুগামীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ চলাকালীন রাজ্যে বিজেপির প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব নিয়েও মুখ খুললেন তিনি।
এদিন সকালে হাওড়ায় উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের দেওয়া সাক্ষাৎকারে সরাসরি ভাবেই তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের দুর্নীতিমূলক কাজের তীব্র নিন্দা জানান তিনি। তৃণমূলের মধ্যে চলমান গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের উল্লেখ করে তিনি বলেন, খুব শীঘ্রই দলের অন্যান্য নেতারাও দল পরিবর্তন করার কাজে লিপ্ত হবেন এবং শুভবুদ্ধি সম্পূর্ণ এরকম কাজকে বিজেপি সাধুবাদ জানাবে। রাজ্য সরকারের নতুন উদ্যোগ ‘ দুয়ারে সরকার’ প্রকল্পকে ‘মরণ কালে হরির নাম’ বলে সম্মোধন করেন। শেষ সময়ে এসে যখন সরকারের শ্মশানে যাওয়ার সময়, তখন অন্নপ্রাশনের নিমন্ত্রণ করার কোনো মানে হয়না বলে তিনি জানান। শুভেন্দু অধিকারীর ইস্তফার পরবর্তী কর্মসূচী নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, এখনো পর্যন্ত দল ত্যাগের বিষয়ে শুভেন্দুবাবু মুখ খোলেন নি এবং বিজেপিতে যোগদানেরও কোনো খবর শোনা যায়নি। বিজেপির শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দের থেকেও এখনো পর্যন্ত কোনো তথ্য জানা যায়নি। ফলত, তার মন্তব্য থেকে একটা বিষয় প্রতীয়মান যে মেদিনীপুরের ভুমিপুত্রের আগামী দিনের সিদ্ধান্তগুলি শুধুই সময়ের অপেক্ষা।
এদিন সায়ন্তন বসুর মন্তব্যের ওপর ভিত্তি করে তৃণমূল নেতা অরূপ রায়ের প্রতিক্রিয়া…
বিধানসভা নির্বাচনের আর মাত্র কয়েকমাসের দেরী। ইতিমধ্যেই দিল্লী শিবির এবং রাজ্য শিবির দুই পক্ষই ঘুঁটি সাজাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। মাঝেই মাঝেই জনসংযোগ বৃদ্ধির প্রয়াসে বিজেপির সংগঠিত চা চক্রগুলিতে বেশ আশানুরূপ ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে। অন্যদিকে, তৃণমূল শিবিরও প্রতিনিয়ত দলের খামতিগুলি মেটানোর চেষ্টায় রত। ফলত, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিযোগিতার ময়দানে এক অস্থিরতা তৈরী হয়েছে সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
