নিজস্ব সংবাদদাতা, পূর্ব মেদিনীপুর: নন্দীগ্রামে শহীদ স্মরণ সোনাচুড়াতে উপস্থিত হয়ে শুভেন্দু অধিকারীকে নজিরবিহীন আক্রমণ করলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। মন্ত্রী এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে। প্রথমে শহীদ বেদীতে মাল্যদান করেন শহীদ পরিবারের সদস্যদের পা ধুয়ে দেন ও নতুন বস্ত্র বিতরণ করেন। শুধু স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য নয়, শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে উপস্থিত ছিলেন এক ঝাঁক মন্ত্রী থেকে অভিনেত্রীরা। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সরকারের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত কারামন্ত্রী অখিল গিরি, অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, শেখ সুফিয়ান, প্রাক্তন মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র সহ তৃণমূল নেতৃত্বরা। শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে কার্যত বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে কটাক্ষ করেন মন্ত্রী থেকে তৃণমূল নেতৃত্বরা।
{link}
এদিন বক্তব্য রাখতে গিয়ে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন " উনি জানেন কি করে! গতকাল বিধানসভায় বলেছি ইডি ও সিবিআই যে তদন্ত করছে, কি করে বেরিয়ে আসছে! অথবা একথাগুলো সঠিক নয়৷ ইডি ও সিবিআই পরিচালনা করছেন কি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী? বলা যায় না খুঁজতে খুঁজতে হয়তো উনারও ( শুভেন্দু অধিকারী) বেরিয়ে পড়বে! গ্রেফতার তৃণমূল নেতা শান্তনু মোবাইলে কি রয়েছে উনি জানলেন কি করে? উনিতো ওয়াশিং মেশিনে ঢোকার জন্য ওখানে গেছেন। শহীদ পরিবার আমাদের সঙ্গে রয়েছে। একাধিক শহীদ পরিবার আমাদের কাগজপত্র দিয়েছে। নাটক করে কিছু হবে না। নাটক করে আলো নিভিয়ে জিততে হয়, তো অহংকার ভালো নয়। ২০০৭ সালে শহীদ হয়েছেন। এতদিন শহীদ পরিবারের পায়ে জল দেয় নি। নাটক করার জন্য শহীদ পরিবারের পায়ে জল দিলেন। উনার অনেক নাটক দেখেছি। বিধানসভা ওয়াক আউট করেন, কখন হেঁটে হেঁটে বাইরে বেরিয়ে যান "।
আরও বলেন " শুভ-ইন্দু নন, উনি আসলে অমাবস্যার চাঁদ। এক ভুঁইফোঁড় বিজেপি নেতা আজ শহিদ তৰ্পণ করতে গেছেন। গেছেন কার সঙ্গে? যারা সেদিন শহিদ করেছিল, যাদের হাত রক্তে রাঙ্গা তাঁদের হাত ধরে আজ শহিদ তর্পন করতে গেছেন।মিডিয়ার সামনে তিনি বলছেন, আগামি ১৪ মার্চ উনি নাকি গ্যারেজ করে দেবেন। উনি নিজে গ্যারেজ হয়ে যাবেন। গ্যারেজ ওনার কপালে লেখা আছে। এত অহং ভাল নয়, এত দম্ভ ভাল নয়। ওই দর্প কীভাবে চূর্ণ হয় তা নন্দীগ্রামের মানুষ দেখিয়ে দেবে। শহিদ দিবসে 'গ্যারেজ' করে দেওয়ার কথা যাঁরা বলতে পারে, তাঁরা শহিদদের প্রতি কতটা শ্রদ্ধাশীল, তা বোঝাই যাচ্ছে "
