Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 13/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

Mamata Banerjee : চাকরিহারাদের পাশে রাজ্য সরকার

Loading... রাজ্য
Mamata Banerjee : চাকরিহারাদের পাশে রাজ্য সরকার
#News #breaking News #West Bengal #Mamata Banerjee #SSC Case #সংবাদ

শেফিল্ড টাইম্‌স ডিজিটাল ডেস্ক : সুপ্রিম-রায়ে ২৫ হাজার ৭৫২ জনের চাকরি বাতিল হয়েছে। এরমধ্যে বিনা কারণে যোগ্যদের চাকরিও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। পরিবার-সহ বিপাকে পড়েছেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। এই অবস্থায় তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছে রাজ্য সরকার। যোগ্যদের কেন চাকরি গেল সে-বিষয়ে সমাধানের সন্ধানে ইতিমধ্যেই নেমে পড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। চলছে নিরন্তর আলাপ-আলোচনা ও আইনি পরামর্শ নেওয়ার কাজ। সুপ্রিম কোর্টের রায় বেরোনোর পরপরই বৃহস্পতিবার নবান্নে শিক্ষামন্ত্রী-সহ শীর্ষ আধিকারিকদের নিয়ে দীর্ঘ বৈঠক করে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, ধৈর্য হারাবেন না রাজ্য সরকার সর্বতোভাবে যোগ্যদের পাশে রয়েছে, থাকবে। আদালতের নির্দেশ মেনে নিয়োগ প্রক্রিয়া যথাযথভাবে সম্পন্ন করা হবে দ্রুত।

{link}

কিন্তু যেভাবে চাকরি খেকো বিজেপি-সিপিএম লাগাতার রাজ্য সরকার ও তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিমূলক প্রচার ও কুৎসা চালাচ্ছে তার পাল্টা কড়া জবাব দিল তৃণমুল কংগ্রেস। দলের স্পষ্ট বক্তব্য, যোগ্য চাকরিহারাদের প্রতি পূর্ণ সহানুভূতি রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (CM Mamata Banerjee) উপর আস্থা ও ভরসা রাখুন। এই জটিলতা থেকে কীভাবে বেরনো যায় তার চেষ্টা করছেন তিনি। তবে কুৎসাকারীদের জন্য তৃণমূলের স্পষ্ট বক্তব্য—
১. গদ্দার অধিকারীরা বলছে ২০২৬-এ ক্ষমতায় এলে যোগ্য-অযোগ্য ঠিক করে দেবে। এখানে প্রশ্ন হল, তদন্ত সিবিআই-এর হাতে আছে। তবে ২০২৬ পর্যন্ত অপেক্ষা করার কী প্রয়োজন? এখনই করলেন না কেন? তার মানে সিবিআই ইচ্ছাকৃতভাবে বলছে আদালতে যোগ্য-অযোগ্য ফারাক করা যাচ্ছে না! আদালতেরই বা এত তাড়াহুড়োর কী ছিল! এমনিতে কতশত কেস পড়ে আছে।
২. যারা খারাপ কাজ করেছে— অযোগ্য, তাদের বেতন ফেরাতে বলা হয়েছে। বাকিদের বেতন ফেরাতে হবে না। তার মানে তারা যোগ্য। তবে তাদের চাকরি কেন বাতিল হল? এই প্রশ্নের উত্তর কে দেবে?
৩. দলের স্পষ্ট বক্তব্য, যারা অন্যায় কাজ করেছে— খারাপ কাজ করেছে বা যাদের সিবিআই গ্রেফতার করেছে জেলে আছে, তাদের বাঁচাতে তৃণমূল কংগ্রেস কিংবা রাজ্য সরকার কখনও কোনও চেষ্টা করেনি। এটা তাদের আইনি লড়াই তারা বুঝবে। সিপিএম-বিজেপি মিলে বিকৃতভাবে প্রচার করছে যে তৃণমূল তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস বা রাজ্য সরকার কোনওদিন এই কাজ করেনি, করবেও না।
৪. সিবিআই বলেছে যোগ্য-অযোগ্যদের আলাদা করা যায়নি। আমরা বলছি, সুপ্রিম কোর্টে জানানো হয়েছিল। কিন্তু একতরফা রায় দিয়ে সকলকে বিপদে ফেলা হল।

{link}

এ-বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে দলে রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ও মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, সিপিএম-বিজেপির এ-বিষয়ে কোনও কিছু বলার অধিকার নেই। কারণ সিপিএমের জমানায় ত্রিপুরাতে ১০,৩২৩ জন শিক্ষকের চাকরি গিয়েছিল আদালতের নির্দেশে। বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ক্ষমতায় এলে তাদের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়া হবে। কিচ্ছু করা হয়নি। বরং সিপিএমের আইনজীবীরা কি আদালতে বলেছিল যে কয়েকজনের ভুলের জন্য বাকিদের চাকরি কেন যাবে? এখন তারা বড় বড় কথা বলছে কোন মুখে? এখন তারা কোন মুখে সাধু সাজছে? এখানে সাধু সেজে বড় বড় কথা বলছে কেন? বিকাশবাবুদের জিজ্ঞেস করুন তাদের ভূমিকা কী ছিল সে সময়? সিপিএমের জমানায় তো চিরকুটে চাকরি হত। মধ্যপ্রদেশে ব্যাপম কেলেঙ্কারি ভুলে গেল বিজেপি? একতরফা রায় দিয়ে রাজনৈতিক ইস্যু বানাতে রাম-বাম হাত মিলিয়েছে এখানে। এটা সুস্থ স্বাভাবিক ন্যায়বিচার বলে মনে করছি না আমরা। তৃণমূল কংগ্রেস কখনও কাউকে খারাপ কাজ করলে ডিফেন্ড করেনি। শিক্ষামন্ত্রী হোক কিংবা যে কোন আধিকারিক হোক না কেন রাজ্য সরকার কাউকে রেয়াত করেনি । কারও পক্ষে দাঁড়ায়নি।

সর্বশেষ আপডেট: