শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: হ্যাঁ, এই বহু বিতর্কিত 'SIR' নিয়ে চিন্তার সীমা নেই। কমবেশি এক কোটি ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার সম্ভাবনা। আর যত চিন্তা এইখানেই। প্রসঙ্গত, এই সপ্তাহের শুরুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় SIR প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, এর ফলে ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১.২০ কোটি নাম বাদ যেতে পারে। মুখ্যমন্ত্রী বিষয়টিকে গণতান্ত্রিক অধিকারের প্রশ্ন হিসেবে তুলে ধরে বলেন, এই সমস্যা কোনও দল বা ধর্মের ঊর্ধ্বে। এর আগে মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের একটি সিদ্ধান্তকে রাজ্য সরকার স্বাগত জানিয়েছিল।
{link}
এখন প্রশ্ন লিস্ট থেকে যাদের নাম বাদ যাচ্ছে, তারা করা? মৃত ভোটার, অনুপ্রবেশকারী, স্থাননন্তরিত, নাম, বয়স ও বাবার নামের মধ্যে ও বয়সের মধ্যে যুক্তিগ্রাহ্য মিল নেই। এমনই আরো বেশ কিছু সমস্যা। মৃত ভোটার নিয়ে সত্যি কারো অভিযোগ করার কিছু নেই। কিন্তু এই মৃত ভোটারদের নামে ভোট যে দেওয়া হয়েছে তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু যারা অন্য জায়গায় চলে গেছেন? তাদের ভোটও দেওয়া হতো। এমনই যে ভোটারের বাবা ছেলের থেকে মাত্র ৫ বছরের বড়ো অথবা এক বাবার ৩০ জন সন্তান - তাদের? তাদের ভোটও যে দেওয়া হতো।
{link}
সব মিলিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত মুখ্যমন্ত্রী। আবার ততোই খুশি বিজেপি। ২৬ তারিখ ভবানীপুরে জৈন ধর্মের মানুষদের এক সভায় মুখ্যমন্ত্রীর ভাষণে সেই চিন্তা ফুটে উঠেছে। ভবানীপুরে জৈন সম্প্রদায়ের এক অনুষ্ঠানে একাধিক সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন তিনি। মমতা বলেন, ‘‘এসআইআর চলছে, অনেকের ভোটাধিকার বাদ গেছে। আমি দুঃখিত, প্রথমে ৫৮ লক্ষ বাদ দিয়ে দিল। তার পর আবার লুকিয়ে লুকিয়ে বাদ দিচ্ছে, যে রুলস প্রথমে ছিলই না, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নাম করে ৫০ লক্ষ নয়, ৮০ লক্ষ হবে। ২০ লক্ষ ভোটার যদি মারাও গিয়েছে ধরে নিই, তা হলে প্রায় এক কোটি ২০ লক্ষ মানুষের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ চলে যাবে।’’ সবটা মিলিয়ে চিন্তার শেষ নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
{ads}