রাজ্য বিজেপির সর্বোচ্চ পদ পাওয়ার পথে এগিয়ে শুভেন্দু অধিকারীরই নাম। সেহেন জল্পনাই দেখা দিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। আজ, বুধবার দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মিনিট চল্লিশেক ধরে বৈঠক করেন শুভেন্দু। সেখানেই বাংলার পরিস্থিতি সম্পর্কে অবহিত হওয়ার পর রাজ্যে দলের সংগঠন সম্পর্কেও প্রধানমন্ত্রী জানতে চান বলে গেরুয়া শিবিরের একটি সূত্রের খবর। যার ফলে রাজ্য বিজেপির সমস্ত নেতা মন্ত্রীর থেকে যে শুভেন্দু বর্তমানে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছেন এই কথা স্পষ্ট।
{link}
শুভেন্দু তরুণ তুর্কি, বাগ্মী ও অভিজ্ঞ এবং তার পাশাপশি দক্ষ সংগঠক। এই সব গুণের জন্য নন্দীগ্রামে খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দেওয়া হয় শুভেন্দুকে। হাজার দুয়েক ভোটে তৃণমূল নেত্রীকে ধরাশায়ী করেন শুভেন্দু। এর পরেই বিজেপিতে রাতারাতি তিনি পরিচিত হয়ে যান জায়ান্ট কিলার হিসেবে। শুধু তাই নয়, পূর্ব মেদিনীপুরের ১৬টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে সাতটিই তিনি তুলে দিয়েছেন গেরুয়া ঝুলিতে। যে জেলায় বিজেপির সংগঠন খুঁজতে দূরবীণের প্রয়োজন হত, সেই জেলা থেকেই সাতটি আসন পাওয়াটা আশাতীত বই কি!
{link}
এক দিকে তৃণমূল নেত্রীকে কুপোকাত করা, অন্যদিকে জেলায় দলের আসন বাড়ানো এই দুয়ের জেরে গৈরিক শিবিরে শুভেন্দুর গুরুত্ব বেড়ে যায় রাতারাতি। পুরস্কার হিসেবে শুভেন্দুকে বিরোধী দলনেতার পদ দেওয়া হয়। এর আরও এক কারন রাজ্যের সমস্ত বিজেপি নেতাদের একমাত্র শুভেন্দু ব্যাতিত আর কাউকেই সেইভাবে ময়দানে দেখাই মিলছে না। এই সমস্ত কারনের পরিপ্রেক্ষিতেই গেরুয়া শিবিরের একাংশের মতে, শুভেন্দুকে আরও বড় কোনও দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। ২০২৪এ লোকসভা নির্বাচন। তার আগেই যাতে বিধানসভা নির্বাচনের ক্ষত মেরামত করে দলের সুস্বাস্থ্য ফিরিয়ে আনা যায়, তার চেষ্টায় রয়েছেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। এখন শুভেন্দু তাদের পদ্ম রাজ্যে প্রস্ফুটিত করতে সক্ষম হন কি না, তাই দেখার বিষয়।
