বঙ্গের উত্তপ্ত রাজনৈতিক মহলে ইটের বদলে পাটকেল দিয়ে জবাবি বাগযুদ্ধের রাজনীতি শুরু হয়ে গেছে বহু আগেই। আর বর্তমানে সেই বাগযুদ্ধের অন্যতম প্রধান মুখ হয়ে দাঁড়িয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপি সরকার এলে মিথ্যাশ্রী পুরস্কার দেওয়া হবে, আর পুরিস্কারে প্রথম পুরস্কার পাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেওয়া হবে তোলাশ্রী পুরস্কারও আর সেই পুরস্কার পাবেন অভিষেক ব্যানার্জি। এই বলে পূর্ব মেদিনীপুরের হেঁড়িয়ার সভা থেকে তৃনমূলকে কটাক্ষ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। ১৮ই জানুয়ারি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামের জনসভা করার কথা ঘোষনা করার পরেই শুভেন্দু ১৯ তারিখে এই সভার ঘোষনা করেছিলেন তিনি। শুভেন্দু ছাড়াও সভায় উপস্থিত ছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায় এবং বাবুল সুপ্রীয় ছাড়াও আরও বিশিষ্ট নেতারা।
গতকাল নন্দীগ্রামের জনসভার মঞ্চ থেকে নন্দীগ্রামের প্রার্থী হওয়ার ঘোষনা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার সেই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই আজ সভায় বক্তব্য রেখেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির এই সভা ঘিরে সকাল থেকেই উত্তপ্ত ছিল রাজনৈতিক মহল। এলাকায় হাতাহাতিতেও জড়িয়ে পড়ে ঘাসফুল ও বিজেপির শিবির। আক্রান্ত হয়েছেন দুই পক্ষেরই বেশ কয়েকজন। জনসভার মঞ্চ থেকে শুভেন্দু বলেন, তৃনমূল প্রার্থী ঘোষনা জনসভা থেকে হয় বিজেপির হয়না। কারন হিসাবে তৃনমূল কংগ্রেস দলকে প্রাইভেট লিমিটেড কম্পানি বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। এছাড়াও দিদিমণিকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর স্ট্যাম্প ও বানিয়ে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বর্তমানে বিজেপির অন্যতম পরিচিত এই মুখ।
পদ্মফুলের ও ঘাসফুলের একুশের রাজনৈতিক লড়াইয়ে পাল্লা কোন দিকে ভারি তা নিশ্চিত করা বর্তমান পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে খুবই কঠিন। গতকালে মুখ্যমন্ত্রীর জনসভায় নন্দীগ্রামের প্রার্থী হওয়ার কথা ঘোষনা করায় কার্যত এক নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে ভোটের লড়াইয়ে। আর আজ সেই মাত্রাই হেঁড়িয়ায় নিজের বক্তব্যের মাধ্যমে আরও কয়েকগুন বৃদ্ধি করলের শুভেন্দু অধিকারী।
