তৃণমূলের চার হেভিওয়েট নেতা গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের সমস্ত নেতা ও কর্মীরা প্রশ্ন তুলেছিলেন যদি গ্রেপ্তার করারই হয় তবে বাদ গেলেন কেন শুভেন্দু মুকুল, তালিকায় নাম এবং ভিডিও ফুটেজে তাদের বিরুদ্ধেও তো প্রমান ছিল। সেখান থেকেই উঠেছিল কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ। সেই বিষয় কে ঘিরেই উত্তেজনা চরমে ওঠে।
{link}
কিন্তু সূত্রের খবর অনুযাই নারদকাণ্ডে এবার বিপাকে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীও। খবর অনুযাই, নারদকাণ্ডে এবার তাঁর বিরুদ্ধেও চার্জশিট জমা দিতে চলেছে সিবিআই। এই বিষয়ে লোকসভার স্পিকারের অনুমতি চেয়ে চিঠি দিতে চলেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। শুধু শুভেন্দু নন, চার্জশিট জমা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে তৃণমূল নেতা কাকলি ঘোষদস্তিদার, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় ও সৌগত রায়ের বিরুদ্ধেও। যার ফলে বাংলার রাজনৈতিক একাধিক মুখ কে ভবিষ্যতে বিপাকে পড়তে হতে পারে বলে ধারনা করছেন রাজ্যের একটা বড়ো অংশের মানুষ।
এপ্রসঙ্গে উল্লেখ্য ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে আগে প্রকাশ্যে আসে নারদকাণ্ডের স্টিং অপারেশনের ফুটেজ। ওই ফুটেজে তৃণমূলের বেশ কয়েকজন নেতা-মন্ত্রী-সাংসদকে টাকা নিতে দেখা যায়। তার মধ্যে দুইজন পরে যোগদান করেন বিজেপিতে। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতেই ঘটনায় সোমবার সাত সকালে বাড়িতে গিয়ে গ্রেফতার করা হয় পরিবহণ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা মদন মিত্রকে। একই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় কলকাতার প্রাক্তন মহা নাগরিক শোভন চট্টোপাধ্যায়কেও। কিন্তু বাকিদের গ্রেপ্তার করা হল না কেন? সেইখানেই উঠেছিল প্রশ্ন। বেছে বেছে তিন তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করায় ঘরে বাইরে চাপে পড়ে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। বিজেপি ছেড়ে দেওয়ায় প্রতিহিংসাবশতঃ শোভনকেও গ্রেফতার করা হয় বলেও অভিযোগ ওঠে। যাদিও অভিযোগের বিরুদ্ধে যুক্তিও খাড়া করেছিল।
{link}
তিন তৃণমূল নেতা সহ চার হেভিওয়েটকে গ্রেফতার করার পর এবার সিবিআই চার্জশিট দিতে চায় বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং তৃণমূল নেতা কাকলি ঘোষদস্তিদার, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় ও সৌগত রায়ের বিরুদ্ধেও। এ বিষয়ে লোকসভার স্পিকারের অনুমতি চেয়ে চিঠি দিতে চলেছে সিবিআই আধিকারিকরা।
কিন্তু এবার রাজনীতিবিদদের একাংশের মতে যদি শুভেন্দুকে গ্রেপ্তার করা হয় তবে তৃণমূলের খাড়া করা যে সবচেয়ে বড়ো তত্ব তা অনেকটা অংশেই কমজোরি হয়ে পড়বে। আবার অন্য আর এক অংশের মতে কার্যত পিঠ বাঁচাতে কয়েকদিনের জন্য জেলে প্রবেশ করিয়ে সাম্যতা বজায় রাখতে চাইছে সিবিআই। যদিও এখনও সবটাই অনুমান।
