কিসের স্বাস্থ্যসাথী? নিজের স্বাস্থ্য নিজের কাছেই শুধুমাত্র মূল্যবান।এত ঝড় জল পেরিয়ে, রোদে, বৃষ্টিতে, হার কাঁপুনি ঠাণ্ডাতে লাইনে দাঁড়িয়ে বানানো হচ্ছে ‘স্বাস্থ্য সাথী’ কার্ড।কিন্তু সত্যি কি দরকারের সময় সাথ দিচ্ছে এই স্বাস্থ্যসাথী? অভিযোগ উঠে এলো নদিয়ার রানাঘাটের এক বেসরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে।স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দেখানো সত্তেও অপারেশন করার পর রোগীকে ছাড়ার জন্য চাইল নগদ টাকা।সুত্রে খবর, গত শনিবার নদিয়ার কেতোয়ালি থানার অন্তর্গত জালালখালি এলাকার বাসিন্দা টোটন চক্রবর্তীকে হাতের একটি অপারেশনের জন্য তার পরিবাররের লোকজন ভর্তি করেন রানাঘাটের এক বেসরকারি হাসপাতাল মনোরমা হস্পিটেক্সে।
রোগীর দাদা জানান, ভর্তির সময় হাসপাতাল কতৃপক্ষ প্রথমে স্বাস্থ্য সাথী কার্ড জমা নিয়ে ১৫ হাজার টাকা অপারেশনের মানি রিসিট করে দেন।সেই মানি রিসিট জমা দিয়ে গত রবিবার অপারেশন করা হয় টোটন চক্রবর্তীর।তারপরই রোগীকে ছুটি দেওয়ার পূর্বে রোগীর পরিবারের লোকজনেদের যানানো হয় যে স্বাস্থ্যসাথী কার্ডের যে টাকা পাওয়ার কথা ছিল তা পাওয়া যায়নি, তাই অপারেশন বাবদ খরচের টাকা জমা না দিলে ছাড়া হবে না রোগীকে।যদি না স্বাস্থ্য সাথী কার্ডের টাকা না পাওয়া যায় তাহলে রোগীকে আটকে রাখা হবে হাসপাতালে।এরপরও রোগীর দাদাকে স্বাস্থ্য সম্পর্কীয় বিষয়ের কথা বলা হলে উনি বলেন যে ওনারা আস্থা হারিয়েছেন এই বিষয়।
এই ঘটনার পর স্বাভাবিক ভাবে চিন্তিত হয়ে পরেন রোগীর পরিবার।স্বাথ্যসাথী কার্ড থাকা সত্তেও কেন এরুপ হল তা নিয়ে মুখ খোলেননি হাসপাতাল কতৃপক্ষ।তবে কি স্বাস্থ্যসাথী কার্ড নিছকই একটি কার্ড নাকি এর ভূমিকা পরবর্তীকালে লক্ষ করা যাবে? মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি কি তাহলে রসাতলে গেল?
