রাজনৈতিক বাগযুদ্ধের তরজা প্রতিবারের মতো এবারেও অব্যাহত বঙ্গের রাজনৈতিক মহলে। কিন্তু অন্য সব বারের থেকে তা যেন একুশের আগে মাত্রাতিরিক্ত উত্তাপ লাভ করেছে। বুধবার রায়গঞ্জ স্টেডিয়াম মাঠে জনসভা ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। জনসভায় সভামঞ্চ থেকে সদ্য দলত্যাগি শুভেন্দু অধিকারী ও রাজিব ব্যানার্জির নাম না করে তাদের ' আপদ ' বলে উল্লেখ করলেন তিনি। এছাড়াও তিনি বলেন, "যে কটা গিয়েছে, আপদ গিয়েছে। যারা খারাপ, তারা চলে গিয়েছে। ঈশ্বর আমাকে বাচিঁয়েছে। আমি এমন লোককে প্রার্থী করবো, যারা পালিয়ে যাবে না।এই ভোটটা আমার ভোট। যদি আমাকে আপনারা চান, তাহলে একটাই চিহ্ন - জোড়াফুল।প্রার্থী নিয়ে ভাববেন না। আমিই প্রার্থী তৈরি করে নেবো।“
দল থেকে বেশ কিছু সাংসদ ও বিধায়ক চলে যাওয়ায় কার্যত দলের অন্দরে যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ছিল তা মিটে গেছে অনেকটাই। তা কার্যত বাড়তি অক্সিজেন প্রদান করেছে জোড়াফুলের শিবিরকে। প্রতিপক্ষ শিবিরকে হারিয়ে জমি রক্ষা করতে মরিয়া দলের কর্মীরা। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মিটে যাওয়ায় দল সংঘবদ্ধ হয়ে উঠেছে। এবং দলের কর্মীদের উপর যে জয়ের ক্ষেত্রে দিদির আস্থা রয়েছে তা বোঝা যাচ্ছে দিদির প্রতিটি বক্তৃতা থেকেই। এখন বাংলায় তৃনমূল তার আধিপত্য বজায় রাখতে সক্ষম হবে কি না তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে ভোটের ফলাফল প্রকাশের দিন পর্যন্ত। লড়াই কিন্তু জমে উঠেছে।
