শনিবার হাওড়ার চ্যাটার্জিপাড়ায় তৃনমূলের এক কর্মীসভায় যোগ দিতে আসেন ব্রাত্য বসু। সেই সভার ব্যানারে রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী তথা হাওড়ার জেলা সদর তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্যান অরূপ রায় ও তৃণমূলের জেলা সদরের সভাপতি ভাস্কর ভট্টাচার্যের নাম লেখা থাকলেও সেই সভায় দেখা গেলনা তৃণমূলের জেলা সদরের এই দুই স্তম্ভকে। যার ফলে ফের হাওড়ার সামনে উঠে আসছে ঘাসফুলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের প্রসঙ্গ। এবিষয়ে ব্রাত্য বসু কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন “গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কি না খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে”, ব্রাত্য বসু ছাড়াও এদিনের তৃনমূলের জনসভায় উপস্থিত ছিলেন জটু লাহিড়ী, প্রসূন ব্যানার্জি সহ বেশ কিছু তৃনমূলের শীর্ষ নেতারা। এদিনের মঞ্চ থেকে, একদিকে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা দিয়ে সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের মূর্তি করে আবার অন্যদিকে এখানে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙে বলে বিজেপিকে কটাক্ষ করেন তিনি।
একুশের নির্বাচনের আগে হাওড়ার অধিকাংশ রাজনৈতিক মুখ ঘাসফুল ছেড়ে পদ্মফুলের শিবিরে যোগ দেওয়ায় কার্যত হাওড়ায় সম্পূর্ন পাল্টে গেছে ভোটের আগের চিত্র। অনুপম ঘোষ, রাজীব ব্যানার্জি সহ একাধিক নেতা দল ত্যাগ করায় বর্তমানে হাওড়ায় তৃনমূলের একমাত্র পরিচিত মুখ হচ্ছেন অরূপ রায়। আর তারপরেই যার নাম উঠে আসে তিনি হলেন হাওড়া জেলা সদর তৃনমূল কংগ্রেস সভাপতি ভাস্কর ভট্টাচার্য। তাদেরকে কেন্দ্র করেই এখন হাওড়ায় লড়াইয়ের জন্য তৈরি হচ্ছে দলীয় কর্মীরা। আজকের জনসভায় তাদের অনুপস্থিতি তাই ফের চিন্তার ভাঁজ নিয়ে আসবে দলীয় কর্মীদের কপালে। তবে কি ফের পাল্টাতে চলেছে হাওড়ার রাজনৈতিক চিত্র? সবকিছুর উত্তর দেবে বইতে থাকা ঘড়ির কাঁটা, অর্থাৎ সময়। ভোট কিন্তু কড়া নাড়ছে ঘরের দোড়গোড়ায়।
.jpeg)
