সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনের আগে আগে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন বেশ কিছু নেতা-কর্মী। এখন দেখা যাচ্ছে গেরুয়া শিবিরে মোহভঙ্গ হয়ে অনেকেই ঘাসফুল শিবিরে আসতে চাইছে। আগামী ৫ই মে তৃণমূলের বর্ধিত কোরকমিটির বৈঠক রয়েছে। সেখানেই এ বিষয়ে আলোচনা হবে বলে তৃণমূল সূত্রে খবর।
{link}
গেরুয়া শিবিরের বিধানসভা নির্বাচনে মুখ থুবড়ে পরায় শুরু হয়ে যায় তৃণমূলে ফেরার তোড়জোড়। কেউ তৃণমূল নেত্রীর প্রশস্তিতে ভরিয়ে ফেলেন ফেসবুকের ওয়াল, কেউবা আবেগঘন পোস্ট করে উসকে দেন অমলিন স্মৃতি। তৃণমূলের সদর দফতর কালীঘাটে জমে যায় দলে ফেরার কাতর আর্তি সম্বলিত চিঠি!
নির্বাচনের পর পরই খোদ তৃণমূল নেত্রী বলেছিলেন, দলে ফিরতে চাইলে স্বাগত। তবে দিন কয়েক আগে প্রথমে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ ও দলের আর এক মুখপাত্র সৌগত রায়ের বক্তব্যে স্পষ্ট দলবদলুদের আপাতত দলে ফেরানো হচ্ছে না। তবে তৃণমূল সূত্রে খবর, বিজেপিতে গিয়েও যাঁরা দলনেত্রী সম্পর্কে খড়্গহস্ত হননি কিংবা ছোটাননি কুকথার ফোয়ারা তাঁদের দলে ফেরাতে গররাজি নন খোদ তৃণমূল নেত্রী। তবে দলের সিংহভাগের এ ব্যাপারে মত নিয়েই পদক্ষেপ করবেন মমতা। দল সূত্রে খবর, ৫ তারিখের বৈঠকে দলবদলুদের প্রসঙ্গ উঠবে। সেদিনই ঠিক হয়ে যাবে কাদের জন্য খোলা কালীঘাটের দরজা।
{link}
আর এটা যদি চলতে থাকে তাহলে জেলায় জেলায় সংগঠন ধরে রাখা মুশকিল হয়ে যাবে বিজেপির পক্ষ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক কুশীলবরা। বিজেপিতে এখন তাঁদের সক্রিয় ভূমিকা নেই। তাই তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরতে চাইছেন তাঁরা বলে অনেকের মত।
