এক জেলায় এক ব্যাক্তির ঘাড়ে একাধিক পদ। সেই সব পদ একসাথে সামলাতে গিয়েই হিমশিম খেয়েছেন নেতারা। তার জেরে দলের ফল খারাপ হয়েছে। সামগ্রিকভাবে মোট পরিসংখ্যানে একুশের ভোটের লড়াইয়ে দলের ফল ভালো হলেও, উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের কোনও কোনও জেলায় কার্যত ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। তার জেরেই এবার এক ব্যক্তি, এক পদ নীতি গ্রহণ করতে চলেছে তৃণমূল। সূত্রের খবর তাই জানাচ্ছে, অন্তত ঘাসফুল শিবির সূত্রে খবর এমনই। আগামী ৫ তারিখে তৃণমূলের যে বর্ধিত সভা বসছে, সেখানেই এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে সম্ভাবনা।
{link}
সদ্য সমাপ্ত হওয়া একুশের বিধানসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে ব্যাপক ফল করেছে তৃণমূল। তবে কোথাও কোথাও মুখ থুবড়ে পড়েছে দল। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি অবশ্যই হল শিলিগুড়িতে গৌতম দেবের পরাজয়। ওই নির্বাচনে এ রাজ্যে বাম-কংগ্রেস শেষ হয়ে গিয়েছে। তবে মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে বিজেপি। তিন থেকে বেড়ে বিধানসভায় তাদের আসন সংখ্যা হয়েছে ৭৫। এটাই চিন্তায় ফেলেছে সবুজ শিবিরকে বলে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞের একাংশের মতামত। তৃণমূলের অন্দরের খবর বলছে, দলীয় নেতৃত্ব ঠিকঠাক কাজ করলে আরও কয়েকটি আসন কমত বিজেপির। এই একই বিষয়ে তৃণমূল নেতৃত্বের ধারণা, এক ব্যক্তিকে একাধিক পদ দেওয়াই কাল হয়েছে। দলে এক ব্যক্তি এক পদ নীতি চালু হলে আদতে উপকৃত হত দল। তৃণমূল সূত্রে খবর, অগষ্টের মধ্যেই রাজ্যের চার আসনে উপনির্বাচন হবে। দুটি কেন্দ্রে হবে নির্বাচন। এই ছটি আসনেই দলীয় প্রার্থীরা যাতে জয়ী হন, তা নিশ্চিত করতে চাইছেন সবুজ নেতৃত্ব। করোনা পরিস্থিতি কাটলে রাজ্যের ১২২টি পুরসভার নির্বাচন হওয়ার কথা। সেখানেও যাতে বিজেপি দাঁত ফোটাতে না পারে, সেজন্যই এক ব্যক্তি, এক পদ নীতি অনুসৃত হবে। ওই বৈঠকে দলের সব সাংসদ, বিধায়ক ও জেলা সভাপতিদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। এখন দেখার, সেখানে এক ব্যক্তি, এক পদ নীতি গ্রহণ করা হয় কিনা!
{link}
সবদিক থেকে একথা স্পষ্ট যে একুশের নির্বাচনে বিপুল জয় আসতেই দলের খুঁটির চারধা আরও শক্ত করতে নেমেছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বেরা। সেই দিক থেকে এই কারনেই একের পর এক বড়ো বড়ো সিদ্ধান্ত এবং পদক্ষেপ নিচ্ছেন ঘাসফুলের নেতারা। ভবিষ্যতে যাতে দল আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে, এটাই লক্ষ্য তাদের বলে মতামত রাজনৈতিক মহলের।
.jpeg)
