সম্পূর্ন পরিবর্তিত চিত্র, পুরোনো চিত্রে একাধিক রদবদল। শনিবার দলের সাংগাঠনিক রদবদল নিয়ে তৃণমূল ভবনে একটি গুরুত্বপূর্ন বৈঠক হয়। সেখানে দলের সাংগাঠনিক খোলনলচে বদলের উদ্দেশ্য একাধিক সিদ্ধান্ত নেয় দল। দলের তারপরেই সামনে আসে দলের শীর্ষ সমস্ত পদে একাধিক পরিবর্তনের ছবি। যেমন উল্লেখযোগ্য ভাবে দলের সর্বভারতীয় সম্পাদক পদে নিযুক্ত হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের যুব সভাপতির পদ দেওয়া হয়েছে সায়নি ঘোষ কে। এহেনই একাধিক পদে রদবদল ঘটানো হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের দলে।
{link}
উল্লেখ্য বিষয় কিছুদিন আগেই সূত্র মারফৎ শোনা গিয়েছিল এবার দলের সাংগঠনিক শক্তি মজবুত করতে এবং তার পাশাপাশি সামনের পঞ্চায়েত নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে ‘এক ব্যাক্তি এক পদ’ মন্ত্রে দল সাজাবে তৃণমূল। আজ সেই কথাই সত্যি হল, একাধিক পদে পরিবর্তন কিন্তু একজনকে একটাই পদে নিযুক্ত করা হল। রাজ্য তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক পদে এলেন কুণাল ঘোষ। কাকলি ঘোষ দস্তিদার হলেন সর্বভারতীয় মহিলা তৃণমূলের সভাপতি। বারাকপুরের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী হলেন রাজ্য তৃণমূলের সংস্কৃতি শাখার সভাপতি। এদিকে প্রাক্তন বিধায়ক পূর্ণেন্দু বসুর পেলেন দলের খেতমজুর শাখার সভাপতির দায়িত্ব। তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের সর্বভারতীয় সভানেত্রী হলেন দোলা সেন। আর শ্রমিক সংগঠনের রাজ্য সভাপতি হলেন প্রাক্তন বাম সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বঙ্গজননীর সভানেত্রী হলেন মালা রায়। কেউ পরিচিত আবার কেউ নতুন মুখ।
এর পাশাপাশি এদিনের বৈঠকে তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়ে দেয়, এর পর থেকে মন্ত্রীরা আর জেলা সভাপতি থাকতে পারবেন না। মন্ত্রীদের গাড়ির লালবাতি ব্যবহার যাবে না যত্রতত্র। সোশ্যাল মিডিয়ায় যা ইচ্ছে পোস্ট করা যাবে না। এমনকী, ফেসবুকে লাইভ করে দল সম্পর্কে যা ইচ্ছে বলা যাবে না। তবে কি ইঙ্গিতপূর্ন ভাবে বার্তা দেওয়া হল মদন মিত্র কেই? প্রশ্ন উঠছে সেখানেই।
{link}
সামনে ২৪শে রাজ্যে লোকসভা নির্বাচন। এখন সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই এগোচ্ছে তৃণমূল বলে মতামত রাজনৈতিক মহলের। সামনের লক্ষ্য যে দিল্লি তা আকার ইঙ্গিতে অনেকটাই স্পষ্ট

