Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 13/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

‘নগর নটী’ দের টিকিট দেওয়া, হারের কারন তুলে ধরায় শীর্ষ নেতৃত্বের কোপের মুখে তথাগত?

Loading... রাজ্য
‘নগর নটী’ দের টিকিট দেওয়া, হারের কারন তুলে ধরায় শীর্ষ নেতৃত্বের কোপের মুখে তথাগত?
#News #Tathagata Roy #Politics #BJP #News #West Bengal #India #Breaking

একুশের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে হয়ত পদ্মের আগমন ঘটবে একথা অনেকেই ভেবেছিলেন। প্রচারে বিপুল গেরুয়া ঝড়ও তুলেছিল রাজ্য বিজেপি। কিন্তু তার পরেও শেষ পর্যন্ত পালাবদল হয়নি, জয় রয়ে গেছে অধরাই। ২০০ পার গিয়ে আটকে গেছে ৭৭টি আসনেই। কারণ কী? এর একটা ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন প্রবীণ বিজেপি নেতা তথাগত রায়। তাঁর মূল্যায়ন, ‘নগর নটী’ দের টিকিট দেওয়ায়ই বিপর্যয় হয়েছে বিজেপির। এই নিয়ে হইচই কম হয়নি পদ্মের শিবিরের অন্দরে। তারপরেই তথাগতকে তলব করা হয়েছে দিল্লিতে। কৈফিয়ত দিতে রাজধানীর উড়ান ধরেছেন তিনি। তবে কি দলের দোষ তুলে ধরায় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কোপের মুখ এই প্রবীন নেতা?  তথাগতের ব্যাখ্যার সঙ্গে সহমত পোষণ করেন বিজেপির অনেকেই। তবে উচ্চ নেতৃত্বের শাস্তির খাঁড়ার মুখে পড়তে হবে ভেবে তারাও মুখে কুলুপ এঁটেছেন। 

{link}
এছাড়াও আরও একটি কথা আবডালে করছেন বিজেপি নেতাদের একটা বড় অংশ। তবে সেকথাও সামনে এসে বলার সাহস নেই অনেকেরই। তাঁরা বলছেন, ভাঙা কোমরে লড়তে গিয়েই ডুবেছে গেরুয়া শিবির। বিষয়টি খোলসা করেছেন বিজেপির ওই নেতাদের কেউ কেউ। তাঁদের মতে, রাজ্যের চৌত্রিশ হাজারেরও বেশি বুথে সংগঠনই নেই বিজেপির। দলের শীর্ষ নেতারা সেদিকে নজর না দিয়ে ‘গ্যাস’ খেয়ে গিয়েছেন নিচুতলার কয়েকজন নেতার কথায়। যাঁদের না আছে জনভিত্তি, না আছে সংগঠন গড়ার ক্ষমতা! স্বাভাবিকভাবেই রাজ্যের অনেক বুথেই ভোট হয়েছে যেখানে পোস্টার সাঁটিয়েছে ভাড়াটে লোকজন। এই একই অভিযোগ করেছিলেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলও। তিনিও  বলেছিলেন, অনেক জায়গায়ই পোস্টার সাঁটানোর লোক ছিল না বিজেপির।

{link} 
বিজেপির যে নেতারা ভাঙা সংগঠনের কথা বলছেন, দলে তাঁরা এখনও ব্রাত্যই রয়ে গিয়েছেন। ক্ষমতা না পাওয়ায় ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খাচ্ছেন না তাঁরা। তাই ভাঙা কোমর জোড়া লাগেনি। বলা ভালো, লাগানোর চেষ্টাই হয়নি। এর খেসারত দিতে হবে বিজেপিকেই। হয়তো ‘২৬এর লোকসভা নির্বাচনেও বিরোধী বেঞ্চেই বসতে হবে এ রাজ্যের বিজেপি নেতাদের। বাম-কংগ্রেসের মতো নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও অমূলক নয়। অন্যদিকে এখন দলের অন্দরে শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যেও মনমালিন্য দেখা দিয়েছে বলে অনেকের মতামত। এ ওর ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছেন ও তার ঘড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই ভরাডুবির দায় কার ? সেই প্রশ্নের উত্তরে কেউই স্পষ্ট কিছু বলতে পারছেন না… সেক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত ২৪ কিংবা ২৬শে রাজ্যে বিজেপির ছবিটা ঠিক কোন যায়গায় গিয়ে দাঁড়াবে সেই নিয়ে অনিশ্চিত দলের অধিকাংশ সমর্থকই। 

সর্বশেষ আপডেট: