শেফিল্ড টাইম্স ডিজিটাল ডেস্ক : ফের বিপাকে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (ArvindKejriwal)। তিনদিনের জন্য তাঁকে সিবিআই (CBI) হেফাজতে পাঠাল দিল্লির নিম্ন আদালত। সিবিআই অবশ্য কেজরিওয়ালকে পাঁচ দিনের হেফাজতে নিতে চেয়েছিল। তবে দিল্লির রাউজ অ্যাভেনিউ আদালত তাঁকে তিন দিনের হেফাজতের নির্দেশ দেয়। দিল্লি আবগারি কেলেঙ্কারি মামলায় আগেই ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (ArvindKejriwal)। বন্দি রয়েছেন তিহাড় জেলে (Tihar Prison)।
{link}
বুধবার তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ কোর্টের (Rouse Avenue Court) বিশেষ বিচারক অমিতাভ রাওয়াত নির্দেশ দিয়েছিলেন সিবিআই চাইলে আবগারি দুর্নীতি নিয়ে ব্যবস্থা নিতে পারে। তার পর মঙ্গলবারই তিহাড় জেলে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। বুধবার করা হয় গ্রেফতার। ২০ জুন রাউস অ্যাভেনিউ কোর্টই জামিন মঞ্জুর করেছিল কেজরিওয়ালের। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টে (High Court) যায় ইডি। মঙ্গলবার রাউস অ্যাভেনিউ কোর্টের জামিনের ওপর স্থগিতাদেশ দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। এর পরেই কেজরিওয়ালকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিবিআই। পরে করা হয় গ্রেফতার। মার্চে ইডির হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই তিহাড় জেলে রয়েছেন কেজরিওয়াল।
{link}
অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন ২১ দিনের জন্য মিলেছিল অন্তর্বর্তী জামিন। নির্বাচন-পর্ব সাঙ্গ হওয়ার পরেই ফের তিহাড়ে ফিরে যান আম আদমি পার্টির সর্বাধিনায়ক। পরে নিম্ন আদালত জামিন মঞ্জুর করলেও, বন্দিদশা ঘোঁচেনি কেজরিওয়ালের। নিম্ন আদালতের নির্দেশের বিরোধিতা করে উচ্চ আদালতে গিয়েছিল ইডি (ED)। সেই জামিনের নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয় আদালত। তার পরেই সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। সিবিআইয়ের আইনজীবী বলেন, “কেজরিওয়ালকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তাঁরা এমনকি চিনতেও পারেন না যে বিজয় নায়ার তাঁদের অধীনে কাজ করেছিলেন।” তিনি বলেন, “নায়ার অতিশি ও সৌরভ ভরদ্বাজের অধীনে কাজ করছিলেন। তিনি সমস্ত দায় মণীশ সিসোদিয়ার ওপর চাপিয়ে দেন। তাঁদের ফের মুখোমুখি হতে হবে, কাগজপত্র দেখাতে হবে (ArvindKejriwal)।”
{ads}