শেফিল্ড টাইম্স ডিজিটাল ডেস্ক : নির্বিঘ্নে পার হল চতুর্থ দফার লোকসভা নির্বাচনও। হাতে রয়েছে আরও তিনটি। সোমবার নির্বাচন হয়েছে দেশের ৯৬টি লোকসভা কেন্দ্রে। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৬২.৩০ শতাংশ। এদিন নির্বাচন হয়েছে রাজ্যের ৮টি কেন্দ্রেও। সব চেয়ে বেশি ভোট পড়েছে বোলপুরে। এদিন বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সেখানে ভোট পড়েছে ৭৭.৭৭ শতাংশ। তার পরেই রয়েছে রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্র। এখানে ভোটদানের হার ৭৭.৪৬ শতাংশ। এই সময়ের মধ্যে ভোট পড়েছে বহরমপুরে ৭৫.৩৬ শতাংশ, কৃষ্ণনগরে ৭৭.২৭ শতাংশ, বর্ধমান পূর্বে ৭৭.৩৬ শতাংশ, বর্ধমান-দুর্গাপুরে ৭৫.০২ শতাংশ, আসানসোলে ৬৯.৪৩ শতাংশ এবং বীরভূমে ৭৫.৪৫ শতাংশ।
{link}
এদিকে, এআই প্রযুক্তির সাহায্যে বাংলায় ছাপ্পা ভোট দেওয়া রুখে দিল নির্বাচন কমিশন। বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রের ইলামবাজারের ২৫ নম্বর বুথে এদিন সকাল থেকে চলছিল দেদার ছাপ্পা। ওয়েব কাস্টিং ব্যবস্থা ও এআই প্রযুক্তির সাহায্যে ছাপ্পা ভোট রুখে দেয় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর।ইলামবাজারের ২৫ নম্বর বুথের প্রিসাইডিং অফিসারকে সরিয়ে দিয়েছে কমিশন। জানা গিয়েছে, ওয়েব কাস্টিং ব্যবস্থায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর দেখতে পায় ২৫ নম্বর বুথে এক ব্যক্তি একাধিকবার ঢোকার চেষ্টা করছে। লাইনে দাঁড়ানো ভোটারদের প্রভাবিতও করছিল সে। ঘটনাটি নজরে পড়তেই নেওয়া হয় ব্যবস্থা।এবার নির্বাচনী ক্যানভাসে অনুপস্থতি অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট। তিহাড় জেলে বন্দি রয়েছেন তিনি।
{link}
তবে কেষ্ট না থাকলে কী হবে, ছিল তাঁর গুড় বাতাসা নিদান। দুবরাজপুরে গুড় বাতাসা দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ ওঠে। সংশ্লিষ্ট জেলাশাসকের কাছে দ্রুত রিপোর্ট তলব করে নির্বাচন কমিশন।এদিন বিজেপি নেতা তথা প্রার্থী দিলীপ ঘোষকে ঘিরে মন্তশ্বরে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের। এলাকাটি বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে। ভাঙচুর করা হয় সংবাদ মাধ্যমের গাড়ি। সংশ্লিষ্ট জেলা শাসকের কাছ থেকে দুঘণ্টার মধ্যে অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট তলব করে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর।অন্যদিকে, ভোটের ডিউটি করতে করতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন বছর পঁয়তাল্লিশের মহেন্দ্র সিং। তিনি উত্তরাখণ্ডের বাসিন্দা। পাইকরের ২০৩ নম্বর বুথে ডিউটি করছিলেন তিনি। রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
