সুদেষ্ণা মন্ডল, দক্ষিন ২৪ পরগনা: গঙ্গাসাগরে পুজো দিতে এসে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশংসা করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। রবিবার কলকাতার রাজবভন থেকে সপরিবারে গঙ্গাসাগরে কপিলমুনির মন্দিরে পুজো দিতে আসেন রাজ্যপাল। বেলা ১২:১৫ মিনিট নাগাদ গঙ্গাসাগরের অস্থায়ী হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন রাজ্যপাল। রাজ্যপালের অবতরণের পর সুন্দরবন পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে রাজ্যপাল কে গার্ড অফ অনারে সম্মানিত করা হয়। রাজ্যপাল ও তার পরিবারবর্গেকে সম্বর্ধনা জানান সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী বঙ্কিমচন্দ্র হাজরা। উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাশাসক সুমিত গুপ্তা মহাশয়। এছাড়াও এই দিন রাজ্যপালকে সম্বর্ধনা জানাতে উপস্থিত হন সুন্দরবন পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার।
{link}
কপিল মুনির মন্দির চত্বর কড়া নিরাপত্তা চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে সুন্দরবন পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে। কপিলমুনি মন্দির চত্বর সংলগ্ন এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী। বিকেল ৪:৩৫ নাগাদ রাজ্যপাল কপিল মুনির মন্দিরে পুজো দিতে আসেন সপরিবারে। এই পূজা দেন রাজ্যপাল ও রাজ্যপালের স্ত্রী ও দুই ছেলে। রবিবার রাতে গঙ্গাসাগরের এবছরের অন্যতম আকর্ষণ বাংলার পাঁচ মন্দির পরিদর্শন করেন রাজ্যপাল এছাড়াও গঙ্গাসাগরের ই দর্শনের ধ্যান কেন্দ্র ও সমুদ্র সৈকত পরিদর্শন করেন রাজ্যপাল। কপিলমুনি মন্দিরে পূজো দেওয়ায় পর রাজ্যপাল সংবাদমাধ্যমে মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, গঙ্গার যে ঐতিহ্যবাহী কাহিনী গঙ্গার সঙ্গে অধঃপতভাবে জড়িত রয়েছে গঙ্গাসাগরের ইতিহাস। গঙ্গার যাত্রা পথ তিনি ব্যাখ্যা করে বলেন গঙ্গোত্রী থেকে গঙ্গা, বঙ্গোপসাগরে এসে মিলিত হয়। পৌরাণিক কথা অনুযায়ী এই জায়গার গুরুত্ব রয়েছে সারা বিশ্ব। গঙ্গাসাগর মেলার ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন করলে উত্তরে রাজ্যপাল বলেন রাজ্য সরকারকে অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর ব্যবস্থা করার জন্য । রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কে ধন্যবাদ এত সুন্দর মেলার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার জন্য। মন্দিরে পূজো দেয়ার পাশাপাশি এলাকাবাসীদের সঙ্গেও কথা বলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। গঙ্গাসাগরের পূজো দেওয়ার পর ও গঙ্গাসাগর ঘুরে দেখার পর অত্যন্ত আপ্লুত রাজ্যপাল।
