নিজস্ব সংবাদদাতা, নদীয়া: এক নাবালিকার বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে, শুক্রবার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে হানা দেয় চাকদহ থানার পুলিশ। যখন স্কুল গুলিতে ছেলেমেয়েরা মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবার জন্য পরীক্ষায় বসেছে। অন্যদিকে অভিযোগ একটি পরিবার তাদের নাবালিকা মেয়েকে পড়াশোনা না করিয়ে বিয়ের পিঁড়িতে বসার উদ্যোগ নিচ্ছিলেন।
ঘটনাটি নদীয়া জেলার চাকদহ ব্লকের চান্দুরিয়া এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘোষপাড়া এলাকায়। প্রশাসন সূত্রের খবর পিতা ষষ্ঠী হালদার ও মা মনিকা হালদার তাদের ছোট মেয়ে প্রিয়া হালদারের পড়াশোনা বন্ধ করে বিয়ের আয়োজন করছিল। যদিও প্রশাসনের কাছে বিয়ের খবর কানে আসতেই নড়ে চড়ে বসলো প্রশাসন এরপর ষষ্ঠী হালদারের বাড়িতে গিয়ে নাবালিকার বিয়ে বন্ধ করে দেয় পুলিশ। পাশাপাশি চাকদহ থানার পক্ষ থেকে পরিবারের কাছ থেকে একটি মুছলেখা অর্থাৎ মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত তাদের মেয়ের বিয়ে দেবেন না , এই মর্মে একটি লিখিত করিয়ে নেওয়া হয়।
{link}
প্রশাসনের এই ভূমিকাকে যথেষ্ট সাধুবাদ জানিয়েছে ওই এলাকার বসবাসকারী মানুষ। যদিও এই কথাটি স্পষ্ট যে একটি নির্দিষ্ট অংশের মানুষ এখনও সন্তানের খরচ না চালাতে পেয়ে ভালো পাত্রের খোঁজ পাওয়ার কারনে নাবালিকা অবস্থাতেই তার বিয়ে দেওয়া লক্ষ্যে অবতরন করেন। এই বিষয়টি যে এখনও তাদের মধ্যে বহমান অবস্থায় রয়েছে বিশেষ করে গ্রাম্য পরিবেশে।
