শেফিল্ড টাইম্স ডিজিটাল ডেস্ক : মাওবাদীদের মুখের মতো জবাব দিল নিরাপত্তা বাহিনী। বুধবার দুপক্ষের গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছে ছজন সন্দেহভাজন মাওবাদীর। জানা গিয়েছে, বুধবার ছত্তিশগড়ের চিকুরভাট্টি ও পুস্বাকা গ্রামের জঙ্গলে তল্লাশি চালায় নিরাপত্তা বাহিনী। শুরু হয় গুলির লড়াই। বস্তার রেঞ্জের ইনস্পেক্টর জেনারেল সুন্দররাজ পি বলেন, ওই এলাকায় মাওবাদীরা লুকিয়ে ছিলেন বলে বিশেষ সূত্রে খবর আসে। এর পরেই শুরু হয় অভিযানের প্রস্তুতি।
{link}
সেখানে অভিযানের জন্য ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড, সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স এবং তাদের কোবরা শাখা পাঠানো হয়। শুরু হয় দুপক্ষে গুলি বিনিময়। পরে এক মহিলা সহ ছজনের দেহ উদ্ধার করা হয়। সন্দেহভাজন মাওবাদীদের পরিচয় জানা যায়নি। তাদের সঙ্গে অস্ত্র ছিল কিনা, তার খোঁজ করছে পুলিশ। ওই দুই জঙ্গলে আর কোনও মাওবাদী গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে কিনা, তা জানতে শুরু হয়েছে তল্লাশি।
{link}
দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। নির্বাচন হবে সাত দফায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ১৯ এপ্রিল। এই দফায় নির্বাচন হবে মাও উপদ্রুত এই এলাকায়ও। এলাকাটি বস্তার লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে। পুলিশ সূত্রে খবর, নির্বাচনে অশান্তি পাকিয়ে খবরের শিরোনামে আসতে চেয়েছিল মাওবাদীরা। তবে নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় তারা স্রেফ ছবি হয়ে গেল।
এ মাসেরই প্রথম দিকে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে খতম হয়েছিল এক মাওবাদী। সেবার মাওবাদীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহনীর গুলির লড়াই হয়েছিল ছত্তিশগড়েরই কাঙ্কেরে। সেবার ছোটেবেঠিয়া থানার হিদুর গ্রামের কাছের এক জঙ্গলে মাওবাদীরা লুকিয়ে রয়েছে বলে খবর পায় পুলিশ। শুরু হয় অভিযান। দুপক্ষে ব্যাপক গুলি বিনিময় হয়। খতম হয় এক মাওবাদী। শহিদ হয়েছিলেন বস্তার ফাইটার্সের কনস্টেবল রমেশ কুরেতি। মৃত মাওবাদীর কাছ থেকে সেবার পুলিশ উদ্ধার করেছিল একটি একে ৪৭ রাইফেল।
