সুদেষ্ণা মন্ডল, কাকদ্বীপ: আবারও বঙ্গোপসাগরে দুর্ঘটনার কবলে পড়লো ট্রলার। চড়ে ধাক্কা লেগে ট্রলারের পাটাতন ফুটো হয়ে হু হু করে জল ডুকতে শুরু করে ট্রলারে। আতঙ্কে হিমশীতল জলে ঝাঁপ দেয় মৎস্যজীবীরা। মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা বঙ্গোপসাগরের কেঁদো দ্বীপের কাছে। যদিও আশেপাশে উপস্থিত ট্রলারগুলির কারনে মৎসজীবীদের সকলকেই উদ্ধার করা সম্ভবপর হয়েছে। এমনকি ট্রলারটিকেও সম্পূর্ন ডুবতে দেওয়া হয়নি। তাকে দুটি ট্রলারের সাথে বেঁধে পাড়ে নিয়ে চলে আসা হয়।
{link}
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০ জানুয়ারি কাকদ্বীপের কেশব নারায়ন বলে একটি ট্রলার মাছ ধরার উদ্দেশ্যে বঙ্গোপসাগরে পাড়ি দেয়। ট্রলারটিতে মোট ১৬ জন মৎস্যজীবী ছিল সকল মৎস্যজীবীর বাড়ি কাকদ্বীপ থানা এলাকায়। গভীর সমুদ্রে টানা তিন চার দিন ধরে মাছ ধরার পর বন্দরে ফেরার সময় বঙ্গোপসাগরে কেঁদো দ্বীপের কাছে চড়ে ধাক্কা খেয়ে ফুটো হয়ে যায় ট্রলারের পাটাতন। ট্রলারে থাকা মৎস্যজীবীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে প্রাণ বাঁচাতে চিৎকার শুরু করে দেয় মৎস্যজীবীরা। ধীরে ধীরে ট্রলারটি ডুব দিয়ে শুরু করে। মৎস্যজীবীদের চিৎকার শুনে আশেপাশে থাকা অন্যান্য মৎস্যজীবীরা উদ্ধার কার্যে হাত লাগায় এবং নিরাপদে ১৬ জন মৎস্যজীবীকে উদ্ধার করে অন্যান্য ট্রলারে থাকা মৎস্যজীবীরা। ডুবন্ত ট্রলারটিকে উদ্ধার করে বন্দরে নিয়ে আসার চেষ্টা চালাচ্ছে অন্যান্য মৎস্য ট্রলারগুলি। প্রাণহানি না হলেও ট্রলারে থাকা বিপুল অংকের মাছ নষ্ট হয়ে গিয়েছে।
এই সম্পর্কে কাকদ্বীপের শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র বলেন, ২০ জানুয়ারি কেশব নারায়ন বলে একটি কাকদ্বীপের ট্রলার গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যায় এবং ফেরার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ওই ট্রলারটি । চড়ে ধাক্কা লেগে ট্রলারটি ফুটো হয়ে যায়। আতঙ্কে ট্রলারে থাকা মৎস্যজীবীরা চিৎকার শুরু করে দেয় মৎস্যজীবীদের চিৎকার শুনে অন্যান্য মৎস্যজীবী ট্রলার এরা এগিয়ে আসে উদ্ধারকার্যে। অন্যান্য মৎস্যজীবী ট্রলারে তৎপরতায় কেশব নারায়ন ট্রলার থাকা সকল মৎস্যজীবীদের নিরাপদে উদ্ধার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে দুর্ঘটনাগ্রস্থ ট্রলারটিকে থেকেও উদ্ধার করে বন্দরে আনার চেষ্টা চালানো চলছে।
.jpeg)
