সুদেষ্ণা মন্ডল, দক্ষিন ২৪ পরগনা: পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে আবারো উত্তপ্ত হয়ে উঠলো দক্ষিণ ২৪ পরগনা ভাঙড়। দোলের রাতে ভাঙড়ের এক তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে ৬ রাউন্ড গুলি চলল। মঙ্গলবার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়।এই হামলায় আহত হয়েছেন ওই নেতা। তাঁকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখান থেকে কলকাতার আর জি কর মেডিক্যাল হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। শাসকদলের স্থানীয় নেতা প্রোমোটিংয়ের কারবারে জড়িত ছিলেন। ব্যবসায়িক রেষারেষির জেরেই এই হামলা কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
{link}
পুলিশ সূত্রের খবর, ভাঙড়ের কেএলসি থানার কাঁঠালবেড়িয়া এলাকায় মঙ্গলবার ৬ রাউন্ড গুলি চলে। তাতে গুরুতর আহত হন স্থানীয় তৃণমূল নেতা আনসার মোল্লা। বাড়ি বেঁওতা গাজি পাড়ার বাসিন্দা আনসার এলাকায় রঙের কাজের পাশাপাশি প্রোমোটিংয়ের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়েরা। অভিযোগ, মঙ্গলবার আনসারের সঙ্গে তাঁর বিরোধী গোষ্ঠী হিসাবে পরিচিত নুর মহম্মদ মোল্লা এবং তুষার মোল্লার বাদানুবাদ হয়। তার পরেই আনসারকে লক্ষ্য করে আচমকা ৬ রাউন্ড গুলি চালান বলে নুর মহম্মদ মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগ। হামলায় আহত আনসারকে তড়িঘড়ি জিরানগাছা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসকেরা তাঁকে কলকাতার আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে রেফার করেন।এই ঘটনায় ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে কলকাতা লেদার কমপ্লেক্স থানার পুলিশ। অভিযুক্তেরা পলাতক। তাঁদের সন্ধানে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিক ভাবে তদন্তকারীদের অনুমান, এলাকার দুই প্রোমোটারের মধ্যে বচসার জেরেই গুলি চলেছে।আনসার মোল্লার ছেলে জানান, তাঁর বাবার জমি নিয়ে কিছু সমস্যার কথা শুনেছিল সে। সে কারণেই গুলি করা হল কি না, তা বুঝতে পারছে না তারা। এলাকায় তৃণমূল কর্মী হিসেবেই পরিচিত আনসার। এলাকার এক বাসিন্দা জানান, এদিন তাঁরা গোরস্থানের কাছে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। সেই সময়ই হঠাৎই আর্তনাদ কানে যায় তাঁদের। তাঁর দাবি আনসার কাজ থেকে বাড়ি ফিরছিলেন, সেই সময় আচমকাই গুলি করা হয়। ব্যক্তিগত শত্রুতার কারণে গুলি কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। আহত ব্যাক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন বলে সূত্রের খবর।
