শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: প্রতীক উর অন্তত আর পাঁচজন রাজনৈতিক নেতার মতো অতো সহজে বিক্রি হবার মানুষ নয়, তাই সকলের বিশ্বাস। তাই সিপিএম থেকে প্রতীকের পদত্যাগের পরেই এবার সে কোথায় যাবেন? তা নিয়ে জল্পনা বেড়েই চলেছে। এই পরিস্থিতিতে এবার প্রতীক মুখ খুললেন। তিনি জানালেন, পদত্যাগ পত্র প্রকাশ্যে আসার পর প্রায় সব দল থেকেই যোগাযোগ করা হয়েছে তাঁর সঙ্গে। তবে তিনি কোন পথে হাঁটবেন, রাজনৈতিক সন্ন্যাস নেবেন কি না, তা সময় বলবে। ভোট বড় বালাই। নির্বাচনের মুখে এক একটি পা ফেলতে হবে অতি সাবধানে। আর সেই কাজটাই এই মুহূর্তে করে চলেছে রাজ্য বামফ্রন্ট। দলের ‘তরুণ তুর্কি’ প্রতীক উর রহমানকে ধরে রাখতে আসরে নেমেছেন প্রবীণ বিমান বসু। প্রতীকের সঙ্গে ফোনে কথা বলে তিনি মানভঞ্জনের চেষ্টা করছেন বলে খবর আলিমুদ্দিন সূত্রে। সিপিএমের একাংশ চাইছে, প্রতীক উরের মতো তরতাজা, সংখ্যালঘু, সক্রিয় নেতাকে সামনে রেখে ছাব্বিশের নির্বাচনী লড়াইয়ে নামতে।
{link}
তবে তাঁর পদত্যাগ পত্র প্রকাশ্যে আসার পরই যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে তা স্বীকার করে নিয়েছেন প্রতীক উর। তাঁর স্পষ্ট কথা, “অনেক দল যোগাযোগ করেছে। কারও সঙ্গে কথা বলেছি। কারও সঙ্গে কথা বলিনি। আমি বিজেপিতে যাব নাকি সিপিএমে, নাকি হুমায়ুনের দলে যাব তা সময় বলবে। সময় সব থেকে বড় শিক্ষক।” তবে তিনি রাজনৈতিক সন্ন্যাস নিতে পারেন বলেও জল্পনা উসকে দিয়েছেন প্রতীক উর। তবে তার দলের তাজা কর্মীরা বিশ্বাস করেন, প্রতীকের মতো নেতারা রাজনীতি ছাড়তে পারেন, কিন্তু অন্য কোনো দলে যাবেন না।
{ads}