শেফিল্ড টাইম্স ডিজিটাল ডেস্ক : আদালতের সামনে এখন পর্যন্ত নতুন কোনো পথ খোলা নেই। SSC তথা রাজ্য সরকার 'অযোগ্য'দের কোনো তালিকা দিতে পারে নি। নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে OMR শিট। আদালতের সামনে দুটি পথ খোলা - হয় সকলের চাকরি বজায় থাকুক অথবা সকলের চাকরি বাতিল হোক। কোনটা আদালত করবে? ফাঁকা খাতা জমা দিয়ে তারা যদি শিক্ষকতা করেন তাহলে কয়েক প্রজন্মের স্কুল পড়ুয়াদের জীবন ধ্বংস হবে।
{link}
আবার সকলের চাকরি চলে গেলে বহু যোগ্য শিক্ষকের চাকরি চলে যাবে। আসল কথা এটা একটা প্রতিষ্ঠানিক দুর্নীতি। এর বিরুদ্ধে লড়াই করা মোটেই সহজ নয়। CBI সোমবার ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের পক্ষেই মত দিয়েছে। এই প্রসঙ্গে সিবিআই'য়ের আইনজীবী এদিন হাইকোর্টকে জানান, ব্যাপক দুর্নীতি নিয়োগে হয়েছে। সাদা খাতা জমা দিয়েও বহু চাকরি হয়েছে। কলকাতা হাইকোর্ট (Kolkata High Court) যে রায় দিয়েছে তা সঠিক। ফলে এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের রায়কেই মান্যতা দেওয়ার কথা জানায় সিবিআই।
{link}
বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলছে সুপ্রিম কোর্টে। মামলার শুনানিতে নতুন করে ফের একবার পরীক্ষা নেওয়া যায় কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। এমনকী এই বিষয়ে প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না জানতে চাইলে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, চাকরির আবেদন না করেও চাকরি পেয়ে গেছে অনেকে। তবে যারা চাকরি পেয়েছেন আবেদন করে তাদের আবার পরীক্ষা নেওয়ার যেতে পারে বলে মন্তব্য করেন বাম মনোভাবাপন্ন এই আইনজীবী। এখন দেখার শেষ পর্যন্ত আন্দোলনকারী যোগ্য চাকরি প্রার্থীদের ভাগ্য কোন সুতোতে বাঁধা!
{ads}