Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 09/06/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

মঞ্চে আসেনি শীতবস্ত্র, বক্তব্য না রেখে ১৭ মিনিট চেয়ারে বসে থাকলেন ক্রুদ্ধ মুখ্যমন্ত্রী

Loading... রাজ্য
মঞ্চে আসেনি শীতবস্ত্র, বক্তব্য না রেখে ১৭ মিনিট চেয়ারে বসে থাকলেন ক্রুদ্ধ মুখ্যমন্ত্রী
#news #Mamata Banerjee #West Bengal #South 24 Paragana #সংবাদ

নিজস্ব সংবাদদাতা, উত্তর ২৪ পরগনা: হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের কালিতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের শামশেরনগর বনবিবি মাঠে প্রকাশ্য সভায় সরকারি আমলাদের ভৎসনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার বনবিবি ঠাকুরের স্থানে পুজো দিয়ে বৃক্ষ পূজার মধ্য দিয়ে সুন্দরবন সফরের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর ফের মঞ্চে চলে আসেন সুন্দরবনের দুস্থ দের আনা ১৫০০০ শীত বস্ত্র বিতরনের উদ্দেশ্যে। সেইগুলো পর্যাপ্ত না পেয়ে রীতিমতো রুষ্ট হয়ে প্রকাশ্যে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলাশাসক শরৎকুমার দ্বিবেদী ও হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের বিডিও শাশ্বত প্রকাশ লাহিড়ীকে প্রকাশ্য মঞ্চে ভৎসনা  করলেন তিনি। পাশাপাশি পুরো শীতবস্ত্র না পেয়ে মঞ্চের উপরে প্রায় ১৭ মিনিট চেয়ারে বসে থাকলেন বক্তব্য না দিয়ে। এই নিয়ে রীতিমতো প্রশাসনিক মহলে উত্তেজনা তৈরি হয়। এই অনুষ্ঠানে রিলিফ সেন্টারের মজুত করা ১০০০ শীত বস্ত্র ফের আবার সাধারণ নাগরিকদের নিজের হাতে প্রদান করেন তিনি। সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার পুর্তের কর্মাধ্যক্ষ নারায়ণ গোস্বামী, বসিরহাটের সংসদ নুসরাত জাহান সন্দেশখালীর বিধায়ক সুকুমার মাহাতো শেখ শাহাজান সহ বিশিষ্টজনেরা। 

{link}
শীতবস্ত্র প্রদান করার পাশাপাশি এদিন হোম লোনের কিছু চেক প্রদান করে তিনি বলেন সুন্দরবনের পর্যটনের মান  যাতে আরো বাড়ে তার জন্য একটা মাস্টার প্ল্যান তৈরি হচ্ছে। ইতিমধ্যে সুন্দরবনকে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করতে ১৫ কোটি গাছের চারা বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। পাশাপাশি আমি যেখানে গেলাম বনবিবির স্থান সেটা এখন কাঁচা রয়েছে। ওইটা খুব দ্রুত পাকা করা হবে এই স্থানের প্রতিষ্ঠাতার উত্তরসূর পরান মণ্ডল তিনি দাবি করেছিলেন আমার কাছে। এই কাঁচা স্থানটি যাতে পাকা করায় সেই দাবি মেনে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দেন। এই বনবিবি স্থান পাকা হয়ে গেলে উদ্বোধন করতে আরো একবার সুন্দরবনে আসবো। পাশাপাশি বলেন যাতে পর্যটন কেন্দ্রগুলো আরো দ্রুত উন্নয়ন ঘটে তার ব্যবস্থা করার কথাও জানিয়েছেন তিনি। এরপরে তিনি তিনটে কুড়ি নাগাদ টাকির এলিয়েন ক্লাবের মাঠে নামেন হেলিকপ্টারে। সেখান থেকে টাকির রাজবাড়ীর ঘাটে গিয়ে সাধারণ মানুষ ও পর্যটক ও রাজবাড়ীর সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন পাশাপাশি মতবিনিময় করেন। তারপর তিনি টাকির জনস্বাস্থ্য ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরে চলে যান। তবে হিঙ্গলগঞ্জের ঘটনাই আজ সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছে মুখ্যমন্ত্রীর দক্ষিন ২৪ পরগনার সফরে। 

সর্বশেষ আপডেট: