নিজস্ব সংবাদদাতা, বীরভূমঃ গরুপাচার মামলায় বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল গ্রেফতার হওয়ার পরপরই তদন্তের সার্থে একাধিক ব্যাক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চলেছে সিবিআই। প্রতিনিয়ত সেই তালিকায় যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন নাম। এবার মলয় পিটের কলেজেই অভিযান চালাল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই৷ গতকাল বোলপুরের রতন কুঠির অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে মলয় পিট এর 'শান্তিনিকেতন ইনস্টিটিউট অফ পলিটেকনিক কলেজ'-এ পৌঁছে যায় সিবিআই-এর প্রতিনিধিদল ৷ সেই দলে ছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার দুইজন আধিকারিক।
{link}
সিবিআই সূত্রে খবর, বীরভূম সহ বিভিন্ন রাজ্যে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে মলয় পিটের। শান্তিনিকেতনে মেডিকেল কলেজও তৈরি করেছেন মলয় পিট। একাধিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা চালান তিনি, তার মধ্যে একটি হল ‘স্বাধীন ট্রাস্ট’ এবং অপরটি হল ‘সতীর্থ চ্যারিটেবল ট্রাস্ট’। এই দুই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার অধীনেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি তৈরি করেছেন তিনি। শান্তিনিকেতনে একমাত্র বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজও তৈরি তার হাতেই। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি অকপটে বলেছেন,‘অনুব্রত মণ্ডল সাহায্য করেছেন, নাহলে মেডিক্যাল কলেজ করতে পারতাম না।’ তাঁর নাকি ‘বিরাট অবদানও’ রয়েছে। অনুব্রতর দাপট বেশি। তাই তাঁকে ছাড়া কলেজই হতই না।অনুব্রত যখন গাড়ি চেয়েছিলেন, তখন নাকি আর কিছু বলতে পারেননি মলয় পিট। ট্রাস্টের দুটি গাড়ি চাপতে দেওয়া হয়েছিল অনুব্রত মণ্ডলকে। যার ফলে সিবিআই তদন্তের এই নতুন দিক জুড়েও শুরু হয়েছে জল্পনা।
