শেফিল্ড টাইম্স ডিজিটাল ডেস্ক : এক মাস আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) তাঁর দলের মহিলা সমিতিকে নামিয়ে দিয়েছিলেন রাস্তায় - উদ্দেশ্যে মহিলা ভোট নিজেদের দিকে রাখা। ২৬ ডিসেম্বর থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত হয়েছে ‘দীক্ষা’ কর্মসূচি। ব্লক থেকে শহর প্রায় ৫০০ কর্মিসভা করা হয়েছে। এবার আজ, ২৭ জানুয়ারি থেকে ২৭ ফ্রেব্রুয়ারি পর্যন্ত হবে ‘আলাপচারিতা’ কর্মসূচি। এর আগে ৪ জানুয়ারি রাজ্য জুড়ে হয়েছে মিছিল।
{link}
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৈরি করা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়া- সবটাই এই গোটা যাত্রাপথের প্রচারে তুলে আনা হবে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে এবার মহিলাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে মুখ্যমন্ত্রীর সমস্ত কর্মসূচি। লক্ষ্মীর ভান্ডার ও কন্যাশ্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাস্টার স্ট্রোক। এর ফলে মহিলাদের একটা বড়ো অংশের অনেকটা প্রাপ্তি হয়েছে। আর এই পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি এখন ভারত জুড়ে চলেছে। সুশাসন হলো কিনা তা বড়ো কথা নয়, আসল কথা হাতে গরম কিছু পাওয়া। বাম আমল থেকে সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম-সহ একাধিক গণ আন্দোলন হয়েছে।
{link}
সরকার গঠনের পরেও বিভিন্ন সামাজিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে, তার সঙ্গে বাস্তবের যোগসূত্র দেখা হয়েছে। সেটাও দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে, মানুষের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক রেখে। এর মিলিত প্রয়াসে একের পর এক নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস সাফল্য পেয়েছে। ফলে সমাজের প্রতিটা শ্রেণির সঙ্গে যে যোগাযোগ তৈরি করতে পারা গিয়েছে, সেটাকেই প্রচারের আলোয় সকলের সামনে নিয়ে যেতে চায় তৃণমূল কংগ্রেস। যদিও এর সঙ্গে প্রথম শ্রেণীতে চলে এসেছে এই সময়ের দুর্নীতি ও দলীয় কোন্দল।
{ads}