শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: শনিবার রাজ্যে রাষ্ট্রপতি আসলেও তাঁকে স্বাগত জানাতে যান নি মুখ্যমন্ত্রী। এই নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে। আর সেই বিতর্কের উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী জানান, তার অত সময় নেই যে বার বার স্বাগত জানাতে যাবেন। রাষ্ট্রপতি যখন কোনও রাজ্যে সফরে যান, তখন তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রিসভার কেউ স্বাগত জানান। এটাই রীতি। এটাই প্রোটোকল। শনিবার গোঁসাইপুরে আদিবাসীদের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সেই প্রোটোকলের কথা মনে করিয়ে দেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁকে জবাব দিয়েই শনিবার সন্ধ্যায় ধরনা মঞ্চ থেকে মমতা বলেন, “সারাদিন যদি কেউ না কেউ আসে… কোনও দিন এ কোনও দিন বি আসছে, আমাদের কাজকর্ম নেই নাকি! সারাদিন পিছনে পিছনে ঘুরে বেড়াতে হবে? বছরে একবার আসুন না, আমরা রিসিভ করব। ৫০ বার এলে, আমার টাইম আছে এত? মানুষের জন্য ধর্নায় আছি। যাব কী করে! কোনটা আমার প্রায়োরিটি? আপনার প্রায়োরিটি বিজেপি, আমার প্রায়োরিটি মানুষ।”
{link}
এদিন শিলিগুড়ি মহকুমার গোঁসাইপুরে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল কনফারেন্সে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি। রাষ্ট্রপতি মঞ্চে এলেও সার দিয়ে ফাঁকা আসন ছিল দর্শকাসন। এদিকে উদ্যোক্তারা প্রথমে জানিয়েছিলেন এই কনফারেন্স হবে বিধাননগরে। কিন্তু তারপরেও চারবার সভাস্থল বদল করা হয়। শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তার কারণে বাগডোগরা বিমানবন্দরের কাছে গোঁসাইপুরে সভা করার অনুমতি মেলে। সেখানে দাঁড়িয়ে এদিন রাষ্ট্রপতি বলেন, “কেন রাজ্য সরকার আমাকে সভা করতে দিল না? এরপরই মুখ্যমন্ত্রীর নাম করে তিনি বলেন, উনি আমার ছোট বোনের মতো। কিন্তু হয়তো কোনও কারণে উনি আমার উপর রুষ্ট হয়েছেন।” এর পরেই তৈরী হয় বিতর্ক। ধর্ণামঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগে কিছু করুন, তারপর বিজেপির হয়ে কথা বলুন। আপনি দেশের এক নম্বর চেয়ারে বসেন। আপনার প্রতি আমি সম্মান জানাই। বিজেপির নির্দেশে রাজনীতি করবেন না। সমালোচনা করুন, কোনও অসুবিধা নেই।”
{ads}