শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: ২০২৪ সালের ৯ আগস্ট ঘটে যাওয়া আর জি কর কান্ড নিয়ে উত্তাল হয়েছিল রাজ্য। রাজ্য পুলিশের হাত থেকে কেস যায় সিবিআইয়ের হাতে। তবুও মানুষ খুশি নয় তদন্ত নিয়ে। তাঁর দাবি, তিন আইপিএস অফিসারকে সাসপেন্ড করার পরই সৎকারের অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে। তারপর মামলা গেল সিবিআইয়ের হাতে। রত্না বলেন, “তার মানে বিচার হবে।” আদালতের এই নির্দেশের পর আগের সিবিআই দলের তদন্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভয়ার মা তথা পানিহাটির বিধায়ক রত্না দেবনাথ। শুক্রবার গান্ধীঘাটে তাঁর অভিযোগ, “প্রথম থেকেই এই বিষয়ে গুরুত্ব দেয়নি। আমরা বারবার বলা সত্ত্বেও দেয়নি।” নতুন মামলাটি আর জি করের মূল মামলার অংশ নয় বলেই দাবি রত্নার। তাঁর কথায়, “একই মামলা নয়। এটা আলাদা মামলা। জোর করে নিয়ে গিয়ে আমার মেয়ের দেহ পুড়িয়ে দিয়েছিল, সেই বিষয়টি নিয়ে মামলা।”
তড়িঘড়ি সৎকারের মামলায় নির্মল ঘোষ ও সঞ্জীব মুখোপাধ্যায়ের জামিন প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, মামলা এখানেই শেষ হচ্ছে না। সোমনাথ দে-র কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের প্রসঙ্গেও নিজের অভিযোগে অনড় রত্না। তাঁর দাবি, তাঁদের করা অভিযোগ যে মিথ্যা নয়, আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় সেটাই প্রমাণিত। এ দিনও বিচারের দাবিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন রত্না। বলেন, “আমি বিচারের দাবিতে অনড়। আমার সর্বোচ্চ দাবি, আমার মেয়ের ন্যায়বিচার।” উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৯ আগস্ট আর জি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক-গবেষকের ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনা তোলপাড় ফেলে দিয়েছিল রাজ্য ছাড়িয়ে দেশ-বিদেশেও। অভিযোগ ওঠে, ঘটনার দিন কোনওক্রমে দেহ ময়নাতদন্ত করেই সৎকারের জন্য তড়িঘড়ি করছিলেন স্থানীয় তৃণমূল নেতারা। অভয়ার অভিভাবকদের অভিযোগের তিরে বরাবর ছিলেন পানিহাটির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ, পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান সোমনাথ দে-সহ চারজন।
