শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: বারুইপুরে এক নাবালিকা ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বারুইপুর জুড়ে। পুলিশ ১৬৩ ধারা জারি করেছে ও এলাকায় প্রচুর পুলিশ বাহিনী নিয়োগ করেছে। দুপুরে দোষীদের শাস্তির আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সন্ধেতেই ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ। বাকিদের খোঁজে রাতভর চলেছে অভিযান। ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় রবিবার মাঝরাতেই আরও ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। অভিযুক্তদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ তিনজনকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। বারুইপুর থানার পুলিশের সঙ্গে রাতভর অ্যাকশনে নেমেছিলেন এসটিএফের কয়েকজন সদস্যও। গতকালের ঘটনার পর বারুইপুরে ১৬৩ ধারা জারি করল পুলিশ। বারুইপুর, নরেন্দ্রপুর এবং সোনারপুর থানা এলাকায় জমায়েত নিষিদ্ধ। সকাল থেকেই ঘটনাস্থলে মোতায়েন বিশাল বাহিনী, চলছে টহলদারি। বাইরের কাউকে এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হবে না বলেই কড়া পাহারা ব্যবস্থা। যে কোনওরকম অশান্তি ঠেকাতে গোটা এলাকায় বাড়তি সতর্কতা জারি পুলিশের। গড়িয়া ঢালাই ব্রিজ থেকেই সব গাড়ি আটকে দেওয়া হচ্ছে। জানা গিয়েছে, বারুইপুরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে কালীঘাট-তৃণমূলের বেশ কয়েকজন সদস্য। রয়েছেন প্রতিমা মণ্ডল, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, দোলা সেনরা।
পুলিশ সূত্রে খবর, রবিবার রাতেই ধৃতদের টানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সূত্রের খবর, ধৃতদের পুলিশের ম্যারাথন জেরার মুখে এক ধৃতের দাবি, ওই নাবালিকাকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের ছক কষেছিল তারা। সেই মতোই পরিকল্পনা করে নাবালিকা আটক করা ও তার বাবার কাছে থেকে মুক্তিপণ চাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল বলে পুলিশকে জানায় এক ধৃত। তবে পরিবার সূত্রে যে খবর পাওয়া গিয়েছে, তাতে তদন্তকারীদের কাছে স্পষ্ট নাবালিকার বাবার কাছে মুক্তিপণ চেয়ে কোনও ফোন আসেনি। আর এখানেই ধৃতদের বয়ানে অসঙ্গতি পাচ্ছে পুলিশ। সোমবারই তাঁদের বারুইপুর আদালতে পেশ করা হবে। সূত্রের খবর, ঘটনার নাড়িনক্ষত্র জানতে ধৃতদের হেফাজতে চেয়ে আবেদন করতে পারে পুলিশ।
