Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 22/08/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

Census: "শিক্ষকরা এখন সর্বঘটের কাঁঠালি কলা"

Loading... রাজ্য
Census: "শিক্ষকরা এখন সর্বঘটের কাঁঠালি কলা"
#Census #Census 2026 #West Bengal #Bengal #জন গণনা #বাংলা #আদমশুমারি

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: প্রায় 'সর্বঘটের কাঁঠালি কলা'র মতো সরকার সমস্ত কাজেই শিক্ষকদের নিয়োগ করেন। প্রশ্ন, তাহলে পঠন-পাঠন কি করে হবে? এবার জনগণনার কাজে শিক্ষকদের নিয়োগ করার পরে একই প্রশ্ন উঠেছে। শিক্ষক সংগঠনের একটি অংশ এই নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আদালতে যান। শুক্রবার রায়ে স্পষ্ট করে দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। রায়ে তিনি শিক্ষকদের জনগণনার কাজে কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা একটি পয়েন্ট করে বলে দিয়েছেন। প্রথমত, ডিরেক্টর অফ সেনসাস শিক্ষকদের সার্ভিস নিতে হলে তাঁদের নির্দিষ্ট সময়, দিন, জায়গা জানিয়ে দিতে হবে। স্কুল কর্তৃপক্ষকে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা করতে হবে। স্কুলে পঠনপাঠন ব্যবস্থা চালু রাখতে স্কুল কর্তৃপক্ষকে পদক্ষেপ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, সেনসাস কর্মরত শিক্ষকদের এই সময়ের মধ্যে সেনসাস ডিউটি-ই করতে হবে, শিক্ষকতা নয়। সেটাকেই ওই সময়ের মধ্যে তাঁদের ডিউটি হিসেবে গণ্য করতে হবে। তৃতীয়ত, সেনসাসের জন্য যে শিক্ষকদের দায়িত্ব দেওয়া হবে, তাঁরা সেই কাজ অস্বীকার করতে পারবেন না।

উল্লেখ্য, পুরনো বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করে নতুন যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে  স্কুল শিক্ষা দফতর, যাতে জনগণনার কাজও শিক্ষকরা অন ডিউটি হিসাবে ধরতে পারেন। যদিও স্বরাষ্ট্র দফতরের তরফ থেকে আগেই স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল, শিক্ষকদের এমনভাবে ব্যবহার করুন যাতে কোনওভাবেই পড়াশোনা ব্যাহত না হয়। রাজ্য সরকারে প্রথম নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল যে, ‘জনগণনার কাজ করতে গিয়ে স্কুলের পঠনপাঠন যেন বিঘ্নিত না হয়। স্কুলের সময়ের পর অথবা সপ্তাহান্তে সেন্সাসের কাজ করতে পারবে।’ এই নির্দেশিকা নিয়ে আগেই ওঠে প্রশ্ন। আগেই হাইকোর্ট প্রশ্ন তুলেছিল যে, এই কাজ স্কুলের পাশেই নয়, যে তাঁরা সহজে চলে যাবেন।

সর্বশেষ আপডেট: