বর্তমানে করোনা সংক্রমণের পাশাপাশি যে বিষয়টা সব থেকে বেশি প্রশাসনকে ভাবিয়ে তুলেছে তা হল অক্সিজেনের কালোবাজারি। সাধারনের হাতের বাইরে হয়ে যাচ্ছে পরিস্থিতি। ব্ল্যাকে বিকোচ্ছে অক্সিজেন। রীতিমত নিলামে উঠচ্ছে সাধারণ মানুষের জীবণ। এ ব্যাপারে উঠে আসছে একাধিক অভিযোগ। সেই অভিযোগ পেয়ে তদন্তও শুরু করছে পুলিশ।
{link}
এহেন পরিস্থিতিতেই এরূপ আরও এক ঘটনার ছবি উঠে এলো রাজ্যের মানুষের সামনে। সূত্রের খবর মানুষের পাশে দাঁড়াতে কাঁকুড়গাছির কয়েকজন স্বেচ্ছাসেবী যুবক সংস্থা তৈরি করে একটি লিঙ্ক শেয়ার করেন সোশাল মিডিয়ায়। সেই লিঙ্কের মাধ্যমেই প্রতারিত হয়েছেন বেশ কয়েকজন করোনা সংক্রমিত রোগীর পরিবার। বিষয়টি জানতে পেরে কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইম শাখার দ্বারস্থ হয়েছেন ওই যুবকরা।
{link}
এই ঘটনা থেকে আরও একবার প্রমাণিত বেআইনি ভাবে মজুত করে রাখা হচ্ছে অক্সিজেন। চারিদিকে অক্সিজেনের হাহাকার সেই পরিস্থিতিতে অক্সিজেন মজুত রেখে কালোবাজারি করছে সাপ্লায়াররা। এই ভয়ানক পরিস্থিতিতে দুর্নীতি রুখতে মরিয়া পুলিশ-প্রশাসন। গোটা দেশের মতো রাজ্যেও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনার প্রকোপ। শত চেষ্টা করেও নিয়ন্ত্রনে আনা যাচ্ছে না পরিস্থিতি। স্বাভাবিক ভাবেই বাড়ছে সংক্রমণ।
{link}
সংক্রমণ বাড়ায় হাসপাতাল, নার্সিংহোম, সেফহোমে জায়গার হাহাকার। হোম আইসোলেশনেও রয়েছেন প্রচুর মানুষ। এঁদের সিংহভাগেরই প্রয়োজন অক্সিজেন। সেই অক্সিজেন নিয়েই সক্রিয় হয়েছে একাধিক প্রতারণা চক্র। এ অবস্থায় স্যোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে ছড়াচ্ছে বহু ভুয়ো সংস্থার চক্রান্ত। প্রতারকরা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দিচ্ছে তাদের ফোন নম্বর। নীচে লিখে দেওয়া হচ্ছে, এই নম্বরে ফোন করলে মিলবে অক্সিজেন সিলিন্ডার। অসহায় কোন রোগীর পরিবার সেই নম্বরে ফোন করলেই ঠোকছে রোগীর পরিবার। ওই নম্বরে যোগাযোগ করলে তাঁকে বলা হচ্ছে টাকা পাঠাতে। টাকা পাঠানোর পর যোগাযোগের চেষ্টা করলে মিলছে না হদিশ। হয়ে যাচ্ছে প্রতারকরা। প্রতারণা চক্রের ফাঁদে পড়ে সর্বস্বান্ত হয়ে যাচ্ছেন অনেকে।

