শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: দেবের বিষয়টা কিছুটা গুলিয়ে গেলো। এখন প্রশ্ন, কাকলির ২০ জনের লিস্টে কি দেব আছেন? ভবিষ্যৎ তার উত্তর দেবে। রাজ্যে পালাবদলের আবহে সোমবার জল্পনা সত্যি করে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে চিঠি জমা দেন তৃণমূলের কুড়ি ‘বিদ্রোহী’ সাংসদ। সেই দলে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম আস্থাভাজন তারকামুখ তথা ঘাটালের সাংসদ দীপক অধিকারী (দেব) (Dev)। গতকাল দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পরই গত চব্বিশ ঘণ্টায় রাজ্য-রাজনীতি একপ্রশ্নেই তোলপাড়, দেব কি তবে এনডিএ জোটের শরীক হচ্ছেন বা বকলমে বিজেপিতে শামিল হচ্ছেন? সোমবার দিল্লির দরবারে এহেন বেনজির পটপরিবর্তনে স্বাভাবিকভাবেই সরগরম বাংলার রাজনৈতিকমহল।
এমতাবস্থায় ওয়াকিবহালমহল রাজ্য-রাজনীতিতে নতুন ‘দেশু সমীকরণে’র আভাস পেয়েছিল। খানিক খোলসা করে বললে, দেব-শুভেন্দু সমীকরণ নিয়ে এইমুহূর্তে কৌতূহলের অন্ত নেই! তাহলে কি স্বরূপ-সংঘাতে তৃণমূলে মন বিষিয়ে ছিল দেবের? সেজন্যেই এবার দিল্লিতে উড়ে গিয়ে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে রূদ্ধদ্বার বৈঠক করলেন? মঙ্গলবার কোলাঘাটের প্রশাসনিক বৈঠক থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে যাবতীয় প্রশ্নের জবাব দিলেন তৃণমূলের সুপারস্টার সাংসদ। তাঁর বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন ছুঁড়তেই দেবের স্পষ্ট জবাব, “২০১৪ সাল থেকে আমি সৌজন্যের রাজনীতি করে আসছি। আজকে অনেকেই হয়তো বলতে পারেন যে, দেব পালটে গিয়েছে! কিন্তু দেব পালটায়নি। কারণ দেব সবসময়ে মানুষকে একসূত্রে বাঁধার রাজনীতি করেছে। " তিনি আরো বলেন, “আমার ভালোবাসা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য সারাজীবন থাকবে। আমি নতুন তৃণমূলে যাচ্ছি না। যতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেঁচে রয়েছেন, ততদিন আমি ওঁর সঙ্গে রয়েছি। এবং ভবিষ্যতে কী হবে, সেটা নিয়ে আমি এখনই কিছু বলতে চাইছি না। দিদির সঙ্গে এরমধ্যেও কথা হয়েছে আমার। তবে দিল্লিতে যাওয়া বা আজকের প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেওয়া নিয়ে যদি কেউ আমাকে জিজ্ঞেস করেন, তবে একটাই কথা বলব যে, আজও আমি তৃণমূল সাংসদ কিংবা ঘাটালের জনপ্রতিনিধি হিসেবেই এখানেই এসেছি। কারণ সেখানকার মানুষেরা আমাকে একটা বিশ্বাস নিয়ে ভোট দিয়েছেন যে, এই মানুষটি ঘাটাল মাস্টারপ্ল্যানের স্বপ্ন পূরণ করবেন।"
.jpeg)
