অন্য সমস্ত বোর্ড পরীক্ষা বাতিলের কথা ঘোষনা করলেও প্রথম মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা রাজ্যে হবে বলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রথমে সে কথা ঘোষনা করা হলেও পরে করোনা পরিস্থিতির উপর লক্ষ্য রেখে শেষ পর্যন্ত তা বাতিল করারই সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার ও শিক্ষা দপ্তর। সেই ক্ষেত্রে মুল্যায়ন কিভাবে হবে সেই কথাও স্পষ্টভাবে কিছু জানানো হয়নি। এহেন পরিস্থিতিতেই ফল ঘোষনার আনুমানিক সময়ের কথা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার নবান্ন থেকে হওয়া প্রেস কনফারেন্সে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, জুলাইয়ের মধ্যেই প্রকাশিত হবে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল।
ক উল্লেখ্য বিষয় করোনা পরিস্থিতিতে চলতি বছরে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়া হবে কি না, সেই নিয়ে প্রথম থেকেই বিপুল মতভেদ তৈরি হয়েছিল। প্রথমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে হোম সেন্টারেই নেওয়া হবে পরীক্ষা। ঝুঁকি এড়িয়ে পরীক্ষা নেওয়া আদৌ কতটা সম্ভব বা নিলে কীভাবে তা হতে পারে, এসব দিক খতিয়ে দেখতে গঠন করা হয়েছিল বিশেষজ্ঞদের কমিটি। দফায় দফায় বৈঠকের পর রিপোর্ট তৈরি হয়। সেখানে পরীক্ষা নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানানো হয়। পরীক্ষা বাতিলের সুপারিশ যায় নবান্নে। এরপর মাধ্যমিক-উচ্চমাধ্যমিক হবে কি না সেবিষয়ে রাজ্যবাসীর মত জানতে চায় সরকার। স্কুলশিক্ষা দপ্তর ৩টি ই-মেল আইডি দিয়ে আমজনতার মত চায়। মাধ্যমিকে ৭৯ শতাংশ এবং উচ্চ মাধ্যমিকে ৮৩ শতাংশ মানুষ পরীক্ষা না নেওয়ার পরামর্শ দেয়। সবদিক বিবেচনা করে পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার পরীক্ষার ফল ঘোষণার সময় জানানোর পাশপাশি মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন যে আগামিকালই মূল্যায়নের পদ্ধতি জানা যাবে। যার ফলে আগামীকালই স্পষ্ট হয়ে যাবে গোটা বিষয়। প্রাথমিকভাবে অনুমান করা যেতে পারে, নবম শ্রেনীর প্রাপ্ত নম্বর থেকে মূল্যায়ন করা হবে এবং একইভাবে একাদশ শ্রেনীর প্রাপ্ত নম্বর থেকে মূল্যায়ন করা হবে উচ্চমাধ্যমিকের।
