শুধু বিজেপি নয় তৃণমূলের আগ্রাসনে ভয় পাচ্ছে ত্রিপুরা সিপিএমও! তৃণমূলের দাপটে যেভাবে বাংলায় শেষ হয়ে গিয়েছে বামেরা, সেভাবে ত্রিপুরায়ও শেষ হয়ে যেতে পারে বাম। সাত থেকে একুশের ভোটে বাংলায় বামেদের ঝুলি রয়েছে শূন্য। ত্রিপুরায় ভোট রয়েছে ২০২৩ সালে। ওই ভোটে শূন্য হওয়ার আশঙ্কায় কাঁটা বুকে ভয় ধরাচ্ছে ত্রিপুরার বামপন্থীদেরও।
{link}
বাংলায় তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় ফিরেছে তৃণমূল। চোখধাঁধানো সাফল্য মেলায় এবার তৃণমূলের লক্ষ্য দেশের অন্যান্য প্রদেশেও শাখা বিস্তার করা। সেই মতো তৃণমূল নেতৃত্ব প্রথমেই নজর দেন বাঙালি অধ্যুষিত ত্রিপুরায়। সেখানেই ইতিমধ্যেই নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে তৃণমূল। সংগঠন বিস্তারের কাজে ত্রিপুরা গিয়ে জখম হয়েছিলেন তৃণমূল নেতা সুদীপ রাহা এবং জয়া দত্ত। এর পরেই ত্রিপুরায় আরও বেশি করে নজর দিচ্ছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। চলতি বছর ১৬ অগষ্ট এ রাজ্যের মতো ত্রিপুরায়ও খেলা হবে দিবস পালন করে তৃণমূল। তার আগের দিনই পালন করে স্বাধীনতা দিবসও।
{link}
তৃণমূল যে ক্রমেই ত্রিপুরায় শক্তি বিস্তার করছে, তা বুঝতে পারছে কংগ্রেসও। তাই বিজেপিকে হারাতে তৃণমূলকে নিয়ে জোট গড়ার পক্ষপাতী সোনিয়া গান্ধির দল। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, কংগ্রেস-তৃণমূলের জোট হলে তা হবে বেশ শক্তিশালী। স্বাভাবিকভাবেই তখন বাম সঙ্গ ছেড়ে জোটে ভিড় করবেন দলে দলে মানুষ। যার জেরে বাংলার মতো ত্রিপুরায়ও শূন্য হাতে ফিরতে হতে পারে বামেদের। বিজেপিকে হারাতে ত্রিপুরায় বামেরা যদি তৃণমূলের সঙ্গে হাত মেলান, তাহলেও ঘোর বিপদ। তবে ত্রিপুরায় বামেদের ভিত শক্ত। তাই সেখানে তৃণমূল দাঁত ফোটাতে পারবেন না বলেই মনে করছেন ত্রিপুরা সিপিএমের একটা বড় অংশ।. শেষ পর্যন্ত ত্রিপুরা সিপিএম-এর পরিনতি বঙ্গ সিপিএম-এর মতো হয় নাকি তারা তাদের শক্ত ঘাঁটি অক্ষত রাখতে সক্ষম হয় তাই দেখার বিষয় হবে ২০২৩-এর ত্রিপুরার বিধানসভা নির্বাচনে। যদিও এক্ষেত্রে তিনটি দলই লড়াই করার ক্ষেত্রে এবং তার পাশাপশি দলীয় সংগঠন বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে অনেকটাই সময় পাবে।
