Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

ADD
Date: 23/03/2026 E-Paper

Election News: ভবানীপুরে মমতাকে ৬০,০০০ ভোটে জেতাতে হবে! লক্ষ্য বেঁধে দিলেন অভিষেক

Loading... রাজ্য
Election News: ভবানীপুরে মমতাকে ৬০,০০০ ভোটে জেতাতে হবে! লক্ষ্য বেঁধে দিলেন অভিষেক
#Mamata Banerjee News #Election News #Suvendu Adhikari #Bengali News #TMC vs BJP #সংবাদ #রাজনীতি #মমতা বনাম শুভেন্দু #বিধানসভা নির্বাচন

পুরোদমে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোটের লড়াই। নিজের চেনা কেন্দ্র ভবানীপুরেই প্রার্থী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই ভবানীপুরে প্রচারের নকশাও তৈরি। একটি সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, রবিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের রণকৌশল চূড়ান্ত করার উদ্দেশ্যেই একটি বিশেষ কর্মীসভা করেছেন ভবানীপুরে। তাঁর এলাকার সমস্ত কমিশনারদের তিনি দিশা তৈরী করে দিলেন। এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই ভবানীপুর এবারের নির্বাচনের 'ভর কেন্দ্র'। সম্মুখ সমরে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা এবং বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী। কিছুটা দুঃসাহস দেখিয়েই এই কেন্দ্রে সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

{link}
জানা গিয়েছে নিজের কেন্দ্র হাইভোল্টেজ ভবানীপুর থেকেই ছাব্বিশের নির্বাচনী প্রচার শুরু করছেন রাজ্যের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ভবানীপুর কেন্দ্রটি তাঁর কার্যত হাতের তালুর মতো চেনা। রবিবার সন্ধ্যায় চেতলার অহীন্দ্র মঞ্চে স্থানীয় কাউন্সিলর, ব্লকস্তরের নেতা, দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে কর্মিসভা সারলেন তৃণমূল সুপ্রিমো। আর এখান থেকেই দলের নেতা-কর্মীদের  ভবানীপুরে জয়ের টার্গেট বেঁধে দিলেন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, তিনি উল্লেখ করেছেন,  ‘কলকাতার মধ্যে ফার্স্ট হতে হবে ভবানীপুরকে। ৬০ হাজারের বেশি ভোটে জিততে হবে।‘ অভিষেকের কথায়, ”কলকাতার মধ্যে ফার্স্ট হতে হবে ভবানীপুরকে।‘’ স্পষ্টভাবেই ৬০০০০-এর বেশি ভোটে জেতার টার্গেট বেঁধে দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে উপস্থিত দলের কর্মী, নেতাদের প্রতি তাঁর সতর্কবার্তা, আত্মতুষ্টিতে ভুগলে চলবে না।

{link}
প্রসঙ্গত, রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে এই বছর ভাবনীপুরের লড়াইটা সম্পূর্ণ অন্য মাত্রা নিয়েছে। দুজন প্রার্থীর শরীরী ভাষাতেই যেন বিজয়ীর ছবি। লড়াইয়ের ময়দানে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়তে চাইছেন না শুভেন্দু অধিকারী। জানা গিয়েছে, রবিবারের কর্মীসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধারণ জীবনযাপনের কথা তুলে ধরে অভিষেকের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিশানা করেন। ফের সরব হন কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে। তাঁর কথায়, ”কেন্দ্রীয় বঞ্চনা আমরা ভুলতে পারি না। যাদের এতদিন খুঁজে পাওয়া যায়নি, তারা এখন ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করছে। এগুলো মানুষকে বোঝান। আমাদের সরকারের প্রকল্পের পাশাপাশি মোদির প্রকল্পের কী পার্থক্য মানুষকে বলুন। কোথাও লক্ষ্মীর ভাণ্ডার করেছে? একবার নয়, মানুষের কাছে আমাদের তিনবার করে যেতে হবে। ‘দিদির ১০ প্রতিজ্ঞা’ নিয়ে মানুষের কাছে যান।” এখন শেষ দেখার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে বেশ কিছুদিন।
{ads}

সর্বশেষ আপডেট: