Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 31/03/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

Election News: আমিষ বনাম নিরামিষ! জমে উঠেছে ভোটের প্রচার

Loading... রাজ্য
Election News: আমিষ বনাম নিরামিষ! জমে উঠেছে ভোটের প্রচার
#Mamata Banerjee #Shamik Bhattacharya #BJP #TMC #TMC vs BJP #West Bengal #Politics #সংবাদ #রাজনীতি #বিজেপি বনাম তৃণমূল

বিজেপি ক্ষমতায় আসলে বাংলায় আমিষ খাবার, বিশেষ করে মাছ, মাংস, ডিম খাওয়া নিষিদ্ধ করবে - এই দাবি প্রথম থেকেই করে আসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বার বার করে এর তীব্র প্রতিবাদ করেছে বিজেপি। নিত্যদিনের বাঙালি জীবনে অতীতে কখনওই আমিষ, নিরামিষের লড়াই ছিল না। বাঙালি সকালে বা সন্ধ্যায় যেমন লক্ষ্মীর পুজোর ফুল কিনে আনে, তেমনই রবিবার পাঁঠার মাংসটাও। প্রকৃতপক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু-বাঙালির সাতদিনে সচরাচর আমিষ-নিরামিষের অলিখিত একটা ভাগ রয়েছে। বৃহস্পতিবার আর শনি নিরামিষ। বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীপুজো আর শনি বারের ঠাকুর। আবার নানা রকম ধর্মীয় আচার মেনে সপ্তাহে দু থেকে তিন দিন আমিষে মন দেয় বাঙালি। আবার দেখুন, গঙ্গাসাগর মেলায় কুম্ভের ছায়া যতই থাক, বাংলার এই তীর্থেও আমিষ-নিরামিষের দ্বন্দ্ব নেই।বাঙালির জীবনে বিশেষ বদল ঘটেনি। বদলেছে বাংলার রাজনীতি। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নয়া এন্ট্রি 'আমিষ বনাম নিরামিষ'।

  নয়া ন্যারেটিভও বলা যায়। ২০২১ সালেও বাঙালি অস্মিতাকে হাতিয়ার করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই ন্যারেটিভটাই রয়ে গিয়েছে ২০২৬ সালেও। সে বার ছিল, বহিরাগত। এবার মাছ-মাংস।  যার নির্যাস, বিধাননগরের বিজেপি প্রার্থী শারদ্বত বন্দ্যোপাধ্যায় একেবারে প্রমাণ সাইজের কাতলা মাছ নিয়ে প্রচার সারলেন। সেই ভাইরাল ঘটনায় আসলে মরিয়া প্রমাণের চেষ্টা, বিজেপি ক্ষমতায় এলে, বাঙালির মাছে হাত দেবে না। ওদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার দাবি করছেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে মাছ, মাংস বন্ধ করে দেবে।  বীরভূমে এক সমাবেশে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘ওরা (বিজেপি) আপনাদের মাছ খেতে দেবে না। মাংস, ডিম খেতে পারবেন না, বাংলায় কথা বললেও আপনাকে বাংলাদেশি বলা হবে।’ আবার বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের মন্তব্য, 'বাঙালি মাছ খাবে না! মাংস খাবে না! মাছ বাঙালিও, বিহারিও খাবে। ওরা আমাদের চম্পারণ মিট খাওয়াবে, আমরা ওদের কচি পাঁঠার ঝোল খাওয়াব।'

সর্বশেষ আপডেট: