শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: দুর্নীতি, দুর্নীতি আর দুর্নীতিতে ভরা ছিল প্রাক্তন তৃণমূল সরকার। যেই বিভাগেই হাত দেওয়া না কেন সেখানেই দুর্নীতি। এবার সামনে আসলো প্রতিবান্ধী ভাতা নিয়ে দুর্নীতি। এই নিয়ে যথেষ্ট কড়া মনোভাব দেখিয়েছে আদালত। এবার প্রতিবন্ধী ভাতা প্রকল্পেও দুর্নীতির অভিযোগ। কাঠগড়ায় মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জের তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য আশিকুল ইসলাম। তাঁর বিরুদ্ধে স্বজন পোষণের অভিযোগ তুলে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় কলকাতা হাই কোর্টে। সম্প্রতি এই সংক্রান্ত মামলায় পুলিশকে দ্রুত তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। সম্প্রতি ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি অতরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি হয়। শুনানিতে আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, সমস্ত নথি ও বক্তব্য পর্যালোচনা করে আবেদনকারীর তোলা অভিযোগগুলি আপাতত উড়িয়ে দেওয়া যায় না। যেহেতু ইতিমধ্যেই পুলিশ মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে, তাই পুলিশের তদন্ত দেখে নিয়ে চায় আদালত।
বিশেষভাবে সক্ষমদের পাশে থাকতে সরকারের তরফে আর্থিক সাহায্য করা হয়। উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে সরাসরি সেই টাকা পৌঁছে যায়। এই ভাতা পাওয়ার ক্ষেত্রে রয়েছে বেশ কিছু শর্ত। সেই অনুযায়ী, একজন চিকিৎসক কম করে ৪০ শতাংশ বা তার বেশি পরিমাণ শারীরিক অক্ষমতার রিপোর্ট দিয়ে থাকেন। পাশাপাশি, কমপক্ষে ১০ বছর ধরে এরাজ্যের বাসিন্দা হতে হবে। পরিবারের মোট বার্ষিক আয় এক লাখ টাকার বেশি হওয়া যাবে না। এমনকী সরকারি কোনও সুবিধা পেলে এই সুবিধা পাওয়া যায় না, এমনটাও শর্তে উল্লেখ রয়েছে। আর এক্ষেত্রেই দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সামশেরগঞ্জের বাসিন্দা জনৈক সুরজ শেখ কলকাতা হাই কোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন। তাঁর অভিযো, পূর্বতন তৃণমূল সরকারের সময়ে এই প্রতিবন্ধী ভাতা প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। মামলায় তিনি শুধু প্রতিবন্ধী ভাতায় দুর্নীতিই নয়, যেখানে হাজার হাজার যোগ্য প্রতিবন্ধীকে বঞ্চিত করে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য আশিকুল ইসলাম তাঁর পরিবারের সদস্যদের নাম ঢুকিয়ে দিয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
