Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 14/09/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

Sikkim: প্রবল হড়পা বানের আশঙ্কা সিকিমে-প্রাণভয়ে ছোটাছুটি সকলের!

Loading... রাজ্য
Sikkim: প্রবল হড়পা বানের আশঙ্কা সিকিমে-প্রাণভয়ে ছোটাছুটি সকলের!
#Sikkim #Flood #Flash Flood #হড়পা বান #সিকিম #বন্যা #ভয় #দিশেহারা মানুষজন

শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: ভূমি বিজ্ঞানিদের প্রায়তাশা মতো এবার বিপদের মুখোমুখি সিকিমের একাংশ। একের পর এক ভূমিধসে বসে যেতে শুরু করেছে আস্ত পাহাড়! গলগলিয়ে নেমে আসছে কাদার স্রোত। যার জেরে ক্রমশ বাড়ছে ভয়ঙ্কর হড়পা বানের শঙ্কা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম সিকিমের গিয়ালশিং জেলার সিঙ্গলিথাম গ্রাম ও সংলগ্ন রিম্বি এলাকায়। রবিবার সকাল থেকে ভুমিধস তীব্র হতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ধ্বংসস্তূপে রাস্তা তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে কয়েকটি গ্রাম। সিকিম প্রশাসনের তরফে রিম্বির ৩০টি এবং সিঙ্গলিথামের ৮টি পরিবারকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের শঙ্কা, সিঙ্গলিথামের পাহাড়ের ঢাল থেকে থেকে যেভাবে কাদার স্রোত ও পাথর, গাছ ভেঙেচুরে স্থানীয় ঝোরাকে অবরুদ্ধ করছে এর ফলে রিম্বির নিচের দিকে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা হড়পা বান দেখা দিতে পারে। জানা গিয়েছে, রিম্বির ঠিক উপরে সিঙ্গলিথাম গ্রামের কাছে একটি টিলা ভূমিধসের জেরে ধীরে ধীরে বসে যাওয়ায় এই বিপর্যয়ের সূত্রপাত হয়েছে। 

  বর্ষায় টানা ভারী বৃষ্টিপাতের জন্য ওই পাহাড়ের ঢাল অত্যন্ত নরম হয়েছে। ফলে কাদা, বড় পাথর এবং মাটির স্রোত নিচে আছড়ে পড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, আগস্ট মাস থেকে এখানে ভূমিধস শুরু হয়েছে। সেটি ক্রমশ গ্রামের দিকে সরে আসছে। ভূমিধসের ব্যাপকতায় গ্রামবাসীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। ইতিমধ্যে গোটা এলাকা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের বিশাল স্রোত রিম্বি-ইউকসম এবং রিম্বি-খেচুপেরি সড়কের কিছু অংশ ধসিয়ে দিয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়েছে। ইউকসম-তাশিডিং এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ পথগুলো বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এহেন পরিস্থিতিতে সিকিম প্রশাসনের তরফে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাধারণ মানুষ ও যাত্রীদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা এড়িয়ে বিকল্প পথ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিপদ বাড়তে থাকায় গ্রামবাসীদের একাংশ তাঁদের প্রয়োজনীয় ও মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে শুরু করেছে। পাহাড়ের ঢাল নরম হয়ে পড়ায় সিঙ্গলিথামের একাধিক বাড়ি ইতিমধ্যে ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়াও রিম্বির অন্তত ৩০টি এবং সিঙ্গলিথামের ৮টি বাড়ি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেট: