তথাগত ঘোষ, হাওড়া: প্রায় দেড়শো বছরের দোড়গোড়ায় পৌঁছেছে হাওড়ার ব্যাঁটরার ঐতিহ্যবাহী মধুসূদন পালচৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়। একসময় এই স্কুলে পড়াশোনা করেছেন দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ফুটবল নক্ষত্র শৈলেন মান্না। সেই স্কুলেই মঙ্গলবার এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। স্কুল থেকে ছাত্রছাত্রীদের সারথী প্রকল্পের অধীনে সাইকেল প্রদান করেন তিনি। একইসঙ্গে, স্কুলের নজরকাড়া মিড ডে মিল খাবার ঘরে ছাত্রদের সঙ্গে বসেই সারলেন মধ্যাহ্নভোজ।
প্রসঙ্গত, এদিন মুখ্যমন্ত্রীর জন্য আলাদা করে কোনও ধরনের স্পেশাল মেনু হয়নি। প্রতিদিন ছাত্রদের তালিকার খাবারই খেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর আগমনে রাজ্যজুড়ে নজর কেড়েছে মধুসূধন পালচৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয়ের অত্যাধুনিক মিড ডে মিল খাবার ঘর। সূত্রের খবর, বিদ্যালয়ের নবনির্মিত মাঠের আদলের কংক্রিটের টেবিল ও চেয়ারে বসে খাবার খেয়েছেন তিনি। প্রতিদিন এই টেবিল চেয়ারে বসেই মিড ডে মিল খায় স্কুলের ছাত্ররা।
মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও এদিন উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ এবং সঞ্জয় সিং। খাবার খেয়েছেন উত্তর হাওড়ার বিধায়ক ও রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাইও। মেনুতে ছিল ভাত, মুগের ডাল, আলু সয়াবিন বড়ির তরকারি ও টমেটোর চাটনি।
তবে, উল্লেখযোগ্য বিষয় হল এই বিদ্যালয়ের প্রাক্তনীদের সহযোগীতাতেই তৈরি হয়েছে মিড ডে মিলের এই ঘরটি। যা ইতিমধ্যেই রাজ্যজুড়ে নজড় কেড়েছে। কার্যত ছাত্রছাত্রীদের জন্য মিড ডে মিলের ঘর কী ধরনের হওয়া উচিত তার একটি দুর্দান্ত নিদর্শন তৈরি করেছেন হাওড়ার ব্যাঁটরার এই বিদ্যালয়।
সূত্রের খবর, কংক্রিটের টেবিল চেয়ারে বসে, স্টিলের থালায় খাবার খেয়ে এদিন অত্যন্ত খুশি হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। স্কুলের খাবারের মান এবং মিড ডে মিল কর্মীদের আন্তরিকতার সঙ্গে পরিবেশনের প্রশংসা করেছেন তিনি। এছাড়াও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বিষয়েও সাধুবাদ জানিয়েছেন তিনি। একটি সংবাদ সংস্থাকে এই তথ্য জানিয়েছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক তন্ময় চক্রবর্তী।
