মঙ্গলবার ষষ্ঠীতে শুরু হয়েছে বাসন্তী পুজো। আজ, চৈত্র সপ্তমী তিথিতে ইছাপুরের বারুইপাড়ার মাতৃমন্দিরে আগমন ঘটল দেবী শমী চণ্ডীর। প্রতি বছরের মতো এই বছরেও একই তিথিতে মায়ের বোধন হয়েছে। এই উপলক্ষ্যে সকাল থেকেই মন্দিরে বিপুল সংখ্যক পূর্ণার্থীরা পুজো দেওয়ার উদ্দেশ্যে উপস্থিত হয়েছিলেন। আয়োজন করা হয়েছিল বিশেষ হোমের। প্রায় পাঁচ মাস পর ঘরে ফিরেছেন দেবী। সেই কারণে আজ সম্পূর্ণ বারুইপুর জুড়ে সাজো সাজো রব। ফুলের সাজে সুসজিতা হয়ে মন্দিরে অবস্থান করছেন দেবী শমী চণ্ডী।
{link}
এই প্রসঙ্গে পুজো কমিটির একজন জানিয়েছেন, “প্রতি বছরের মতো এই বছরেও নিয়ম মেনে মায়ের বোধন হয়েছে। বুধবার সকালে ৮ টা নাগাদ পুজো শুরু হয়েছে। দুপুর ২ টো পর্যন্ত চলেছে মায়ের পূজা। আজই মন্দিরের গর্ভগৃহে মাতৃমূর্তির সামনে ঘট স্থাপন করা হয়েছে। আগামী প্রায় পাঁচ মাস, শ্রাবণ মাসের শেষ সোমবার পর্যন্ত মা আমাদের সঙ্গে থাকবেন।“
{link}
প্রসঙ্গত, হাওড়া জেলার অন্যতম সুপ্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী পুজোগুলির মধ্যে একটি এই শমী চণ্ডী পুজো। কথিত আছে আজ থেকে প্রায় ৩৫০ বছর আগে শমী পোকার আক্রমণ থেকে পান চাষ রক্ষায় শুরু হয়েছিল দেবীর আরাধনা। স্বপ্নাদেশ দিয়ে নিজেই ভক্তদের কাছে এসেছিলেন দেবী। সময়ের সঙ্গে পুজোর জনপ্রিয়তা ও জাঁকজমকতা, দুই-ই বৃদ্ধি পেয়েছে। দেবী শমী চণ্ডীর পর আগামী শুক্রবার রাম নবমীতে হাওড়ার রামরাজাতলায় বোধন হবে রাজা রামচন্দ্রের। তাঁর কয়েকদিন আগেই বুধবার ঘরে ফিরলেন ইছাপুরের দেবী শমী চণ্ডী।
{ads}