শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: বৃহস্পতিবার মদন মিত্রের এক সাক্ষাৎকার নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নাড়া পরে যায়। সেখানেই তিনি ইঙ্গিত দেন, তিনি কামারহাটিতে ঢুকতে পারছে না, কাজ করতে পারছে না। তাই হয়তো রাজনীতি থেকে অবসর নেবেন। এবার আরও বিস্ফোরক মন্তব্য। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে নাম লেখালেও আজ তিনি বললেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলেন আল্টিমেট তৃণমূল”। তবে কি আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছেই ফিরতে চাইছেন তাঁর একসময়ের ছায়াসঙ্গী? এ দিন বাইপাসের ধারে তৃণমূল ভবনে বৈঠকে বসে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস। সেই বৈঠকে যোগ দিতে আসেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, শান্তনু সেন থেকে শুরু করে অরূপ রায়, মদন মিত্রের মতো নেতারা। বৈঠকে ঢোকার আগেই মদন মিত্র বলে বসেন যে তাঁর কাছে আল্টিমেট নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই।
সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র বলেন, “ভোট কন্ট্রোল যারা করে আর টিয়া পাখি নিয়ে যারা বসে, তাদের সঙ্গে আমি নেই। মেট্রোপলিটন তৃণমূল ভবনে এসেছি। দুই জায়গাতেই আবার অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস লেখা। তবে তলায় কি ব্রত? পরমব্রত না অনুব্রত, তা লেখা নেই।” তিনি আরও বলেন, “মানুষ খুব বুদ্ধিমান। মানুষ জানে, ডাবল ইঞ্জিনের পরে ট্রিপল ইঞ্জিন না হলে কাজ বন্ধ হয়ে যাবে। কিছু লড়াই বোর্ড গড়তে আর কিছু লড়াই রিংয়ে আছি বোঝাতে লড়তে হয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাকি বন্ধুদের ডাকছেন। একবার বলতে পারতেন আসুন আমরা একসঙ্গে লড়ি। তারপর নাহয় ভাবতাম। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলেন আল্টিমেট তৃণমূল। সিরিয়াসলি রিংয়ে নামলে সিরিয়াসলি লড়ব।”মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই তৃণমূলের সমার্থক বলে মদন বলেন, “কংগ্রেসের নেতা গান্ধী, নেহেরু। আজ ঘটনাচক্রে অনেকে আসছেন। তেমনই তৃণমূল কংগ্রেস ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমার্থক। প্রতীক যে-ই পাক না কেন…।”
.jpeg)
