Logo

সময়ের সম্মুখে

শেফিল্ড টাইমস

ডিজিটাল

Date: 14/05/2026 E-Paper
Advertisement
Care and Cure 1

Kunal Ghosh: শপথবাক্য পাঠের পরেই বেসুরো কুণাল! অস্বস্তিতে তৃণমূল

Loading... রাজ্য
Kunal Ghosh: শপথবাক্য পাঠের পরেই বেসুরো কুণাল! অস্বস্তিতে তৃণমূল
#Kunal Ghosh News #TMC #West Bengal #Politics #Suvendu Adhikari #সংবাদ #রাজনীতি #কুণাল ঘোষ পোস্ট #অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

তথাগত ঘোষ, কলকাতা: বৃহস্পতিবার বিধানসভায় শপথ গ্রহণ করলেন তৃণমূলের একাধিক বিজয়ী বিধায়ক। তাদের মধ্যে একজন কুণাল ঘোষ। শপথবাক্য পাঠ করতে ওঠার সময়েই রাজ্যের নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর একটি বেনজির সৌজন্যের ছবি ধরা পড়ে। এবার শপথগ্রহণের পরেই কুণালের গলায় বেসুরো সুর। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে দলের বিরুদ্ধেই স্বজনপোষণের অভিযোগে সোচ্চার হয়েছেন তিনি। ক্ষোভ উগরে দিয়েছে শীর্ষ নেতৃত্বদের একাংশের বিরুদ্ধে। যদিও, কুণাল কার দিকে ইঙ্গিত করছেন সেই বিষয়টি স্পষ্ট নয়। 

এদিন দুপুরে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে কুণাল তাপস রায় প্রসঙ্গে লিখেছেন, 'বিধানসভায় বিধায়ক হিসেবে শপথ। ধন্যবাদ মাননীয়া দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ধন্যবাদ বেলেঘাটা কেন্দ্রের নাগরিকদের। শপথ পাঠ করালেন মাননীয় প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। দীর্ঘদিনের দাদা এবং নেতা। তাপসদাকে তৃণমূলে রাখতে আমরা চেষ্টা করেছিলাম। পারিনি, দুর্ভাগ্য। পরে রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে আমি তাপসদাকে ভালো বলায় আমাকে দল সাসপেন্ড করেছিল। ঘটনাচক্রে আমি আজ দলের বিধায়ক এবং শপথবাক্য পাঠ করছি বিজেপির হয়ে জিতে আসা তাপসদার হাতে। ভাগ্যচক্র।'

একইসঙ্গে সজল ঘোষ প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, 'সজল পুরপিতাও বটে। উত্তর ও মধ্য কলকাতায় তাপসদা, সজল ঘোষদের বাধ্য করা হয়েছিল দল ছাড়তে। দুজনকেই রাখার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছিলাম। আজ তারা বিধায়ক । আমি তৃণমূলের সৈনিকই আছি। লড়াই চলবে। তবে যার বা যাদের জন্যে তাপসদা, সজলরা, আরও অনেকে দল ছেড়েছে, দলের ক্ষতি হয়েছে, তারপরেও একইরকম হোয়াটসঅ্যাপ কাঁদুনি পলিটিক্স করে স্বজনপোষণ চলছে, সেটা খুবই আপত্তির এবং উদ্বেগের। এভাবে চললে কর্মীরা ধৈর্য হারাচ্ছেন। তৃণমূলকে চাঙ্গা করার লড়াইতে আত্মবিশ্লেষণটাও জরুরি। আমরা তৃণমূলের সৈনিকরা দলনেত্রীর নির্দেশে লড়ছি। জয় বাংলা।' 

সরাসরি কুণাল নিজের পোস্টে কাদের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন সেই বিষয়টি স্পষ্ট নয়। তবে, কুণালের এই পোস্টের কারণে অস্বস্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস শিবির। দলের অন্দরে পরাজয়ের পর যে পরিস্থিতি খুব একটা ইতিবাচক নয়, সেই বিষয়টি নিয়মিতভাবে প্রকাশ্যে উঠে আসছে। 

সর্বশেষ আপডেট: