দল ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে হয়ে যাবার পরে মঙ্গলবার মমতা ছুটেছিলেন সোনিয়া গান্ধীর কাছে। কিন্তু তাঁদের মধ্যে কী কথা হলো? দিল্লির ১০ জনপথে সোনিয়ার বাসভবনে এই বৈঠক ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। সোমবারই ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে বিরোধী ঐক্য আরও সুদৃঢ় করার বার্তা দেওয়া হয়েছিল। সেই বৈঠকে সোনিয়া ও মমতার উষ্ণ আলিঙ্গন রাজনৈতিক মহলে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হয়েছিল। তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই পৃথক বৈঠক হওয়ায় জল্পনা আরও বেড়েছে। সূত্রের খবর, ইন্ডিয়া জোটের ভবিষ্যৎ কৌশল, সংসদের আসন্ন অধিবেশন এবং বিজেপির বিরুদ্ধে বিরোধী শিবিরের সমন্বিত অবস্থান নিয়ে আলোচনা হয়েছে দুই নেত্রীর মধ্যে।
সূত্রের খবর, সোনিয়ার বাসভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে মমতা বলেছেন যে ইন্ডিয়া জোটকে আরও মজবুত করতে হবে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই বার্তার মাধ্যমে তিনি বিরোধী শিবিরের মধ্যে বৃহত্তর ঐক্য ও সমন্বয়ের ওপর জোর দিয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে বিরোধী শিবিরে সমন্বয়ের অভাব, বিভিন্ন রাজ্যে আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে কংগ্রেসের মতপার্থক্য এবং জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সেই পরিস্থিতিতে মমতার এই বার্তা কার্যত বিরোধী ঐক্য অটুট রাখার আহ্বান। তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, বিজেপির বিরুদ্ধে কার্যকর লড়াই গড়ে তুলতে হলে শুধুমাত্র বৈঠক নয়, মাঠপর্যায়েও জোটের সমন্বয় ও রাজনৈতিক বোঝাপড়া বাড়াতে হবে। বিরোধী রাজনীতিতে মমতার মন্তব্য গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
