শেফিল্ড টাইমস ডিজিটাল ডেস্ক: নিয়ম মেনেই পুর ও নগরোন্নয়নমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল সকালে রীতিমত পর্যবেক্ষণ করছেন শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন রাস্তা আর ফুটপাথ। কোথাও কিছু বেআইনি কাজ দেখলে তিনি সাবধান করে দিচ্ছেন। মঙ্গলবার তাঁর গন্তব্য ছিল সল্টলেকের ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড। এখানে ফুটপাথ দখল এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলা দেখে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন মন্ত্রী। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বেআইনি নির্মাণ সামগ্রী ও বেআইনি পার্কিং তুলতে না পারলে কড়া ব্যবস্থার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। এ দিন সকালে গাড়িতে করে হ্যান্ডমাইক হাতে সল্টলেকের সিএ মার্কেট, সিকে, সিএল ব্লক ঘুরে দেখেন অগ্নিমিত্রা। মাইকে বাসিন্দাদের উদ্দেশে নানা পরামর্শ দেওয়ার সময়ে তাঁর চোখে পড়ে ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিভিন্ন জায়গায় ফুটপাথের উপরে দেদার পার্ক করা রয়েছে ব্যক্তিগত গাড়ি। একটি নির্মীয়মাণ বহুতলের সামনে ফুটপাথ জুড়ে ইট, বালি–সহ নির্মাণসামগ্রী পড়ে থাকতে দেখেও বিরক্ত হন অগ্নিমিত্রা। এ সবের ফলে পথচারী ও স্কুলপড়ুয়াদের যাতায়াতে চরম অসুবিধে হচ্ছে দেখে এক সময়ে কিছুটা মেজাজও হারান তিনি।
ওই নির্মাণের দায়িত্বে থাকা এক ব্যক্তিকে ডেকে পুরমন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, ‘রাতের মধ্যে যেন সব পরিষ্কার হয়ে যায়। না হলে আইন মেনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ ওই ব্যক্তি জানান, সব কিছু দ্রুত সরিয়ে দেওয়া হবে। যা শুনে অগ্নিমিত্রা পাল্টা বলেন, ‘আপনার আক্কেল নেই? কখন সরাবেন? আজ আমি এসেছি বলে সরাবেন? এটা ফুটপাথ, জিনিসপত্র রেখে কাজ করা উচিত নয়। মাথায় ঢুকল তো? আজ রাতের মধ্যেই যেন সরানো হয়। খোঁজ নেব কাজ হয়েছে কি না।’ স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকে মন্ত্রীর কাছে অভিযোগ করেন, অতীতেও বার বার বলার পরেও পরিস্থিতির কোনও বদল হয়নি। এর পরেই মন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, ফুটপাথ দখল করে ব্যবসা বা ব্যক্তিগত গাড়ি রাখা বরদাস্ত করা হবে না। পুরমন্ত্রীর কথায়, ‘স্কুল থেকে ছোটরা যাচ্ছে রাস্তা দিয়ে। কারণ, ফুটপাথে দোকান। দুর্ঘটনা ঘটলে কে দায় নেবে? চারটে গাড়ি কিনে নিলেন, তার পরে রাস্তায় গাড়ি রেখে দিলেন, সেটা হবে না। এ ভাবে চলতে পারে না।’
