অবশেষে প্রকাশ্যে আসল কারন, কেন রাজ্যসভা থেকে পদত্যাগ করলেন প্রকাশ্যে নিজেই জানালেন অর্পিতা ঘোষ। থিয়েটারের স্বার্থেই সাংসদ পদ বলি দিলেন তৃণমূল নেত্রী অর্পিতা ঘোষ! আজ, বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এমনটাই জানিয়েছেন তিনি। কলকাতায় থেকেই সংগঠনের কাজ করতে চান বলে দলকে জানিয়েছেন অর্পিতা।
প্রবল বাম বিরোধিতা করে যেসব বুদ্ধিজীবী পথে নেমেছিলেন ২০১১এর আগে, তাঁদের মধ্যে ছিলেন নাট্যকর্মী অর্পিতা ঘোষও। বাম বিরোধিতা করার জন্য কম হেনস্থা হতে হয়নি তাঁকে।
{link}
২০১১ সালে রাজ্যে প্রতিষ্ঠিত হয় পরিবর্তনের সরকার। তার পরেই সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে চলে আসেন বেশ কয়েকজন বুদ্ধিজীবী। তৃণমূলের প্রতি আনুগত্যের পুরস্কার স্বরূপ ২০১৪র লোকসভা নির্বাচনে বালুরঘাটের প্রার্থী হন অর্পিতা। বিপুল ভোটে জয়ীও হন। উনিশের লোকসভা নির্বাচনেও ফের প্রার্থী হন এই নাট্য ব্যক্তিত্ব। জোড়াফুল চিহ্নে দাঁড়িয়ে হেরে যান। এর পরেই তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠান তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সাংসদ পদেই ইস্তফা দিয়েছেন অর্পিতা। সংবাদ মাধ্যমকে তিনি জানান, সাংসদের কাজ করতে গিয়ে আর দিল্লি কলকাতা করতে গিয়ে কোথাও তাঁর থিয়েটারের কাজ আটকে যাচ্ছিল। এটা তাঁর পক্ষে মেনে নেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। তিনি বলেন, আমি তো আর বেশিদিন থিয়েটারের কাজ করতে পারব না! অর্পিতা বলেন, আর কলকাতার বাইরে নয়, কলকাতায় থেকেই সংগঠনের কাজটা করতে চাই। রাজ্য পর্যায়ের সংগঠনের কাজ। কলকাতায় থাকলে থিয়েটারটাও করতে পারব। তিনি যে পার্টির একনিষ্ঠ কর্মী, এদিন তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন অর্পিতা। তিনি বলেন, আমি কেমন, তা পার্টি জানে। না হলে বালুরঘাটে হারার পরে আমাকে রাজ্যসভার সাংসদ করে দিল্লিতে পাঠানো হত না!
অর্থাৎ পার্টিকে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি নিজের সখ এবং পেশা কেও গুরুত্ব দিতে চাইছেন অর্পিতা ঘোষ। পার্টির কাজের দায়িত্ব বেড়ে যাওয়ার কারনে ঠিক ভাবে করা হয়ে উঠছিল না নাটকের কাজ। তাই এই বিরতি। রাজ্যসভার পদ ছাড়লেন, তবে রাজনীতি নয়।
