ভবানীপুরেই কি ফের প্রার্থী হতে চলেছেন শুভেন্দু? এই প্রশ্ন বাংলার রাজনৈতিক মহলে ঘুরপাক খাচ্ছে রাজ্য রাজনৈতিক মহলে। কিন্তু এবার সেই প্রসঙ্গে জল ঢাললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি স্বয়ং। শুভেন্দু তো একবার হারিয়েছে। আর কতবার লড়বে? এবার অন্য কেউ হারাবে। একই লোক বারে বারে হারাবে কেন? সোমবার মেদিনীপুর শহরের একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে একথা বলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে ২১১টি আসন পায় তৃণমূল। দলের ফল ভালো হলেও, নন্দীগ্রামে হেরে যান মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। ওই নির্বাচনে মমতার প্রধান প্রতিপক্ষ ছিলেন বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। হাজার দুয়েক ভোটে পরাজিত হন মমতা। ভোটের ফলে সন্তুষ্ট না হয়ে আদালতের শরণাপন্ন হন তিনি। কলকাতা হাইকোর্টে বিচার চলছে ওই মামলার। সেই কারণেই ভবানীপুর কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে জিততে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী।
{link}
ভবানীপুরে বিনা যুদ্ধে তৃণমূলকে সূচ্যগ্র মেদিনী ছাড়তে রাজি নন পদ্ম নেতৃত্ব। তাই মুখ্যমন্ত্রীকে ফের একবার হারাতে নিজেই প্রার্থী হতে চাইছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। নন্দীগ্রামে খোদ মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থীকে হারিয়ে ‘শক্তি সঞ্চয়’ করে ফেলেছেন শুভেন্দু। তাই ফের একবার তৃণমূল নেত্রীকে হারাতে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন তিনি। শুভেন্দুর এই ইচ্ছেতেই জল ঢেলে দেন দিলীপ। মেদিনীপুর শহরে নবোদয় বিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, শুভেন্দু তো একবার হারিয়েছে। আর কতবার লড়বে? এবার অন্য কেউ হারাবে। একই লোক বারে বারে হারাবে কেন?
মমতাকে ফের হারিয়ে আরও একবার জায়েন্ট কিলারের তকমা শুভেন্দু পান, তা চাইছেন না দিলীপ। সেই কারণেই তাঁর এই মন্তব্য বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা। আবার একইভাবে শেষবার হাজার দুয়েক ভোটে জয়ী হলেও এইবারে হেরে গেলে সব কিছুই জলে চলে যাবে। তাই ভবানীপুরের মতো তৃণমূলের অন্যতম শক্তিশালি কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে নিজের পায়ে কুড়ুল মারতে কেই বা চায়! এটাও বলছেন অনেকেই। শেষ পর্যন্ত কে হবেন প্রার্থী?

