আগামী ডিসেম্বর মাসেই ক্রমে আরও জোরালো হচ্ছে পুরসভা নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা। সেই নির্বাচনেই বিধানসভাইয় বিপর্যয়ের পর কি পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে চলেছে রাজ্য বিজেপি? দলীয় কর্মীদের হৃত মনোবল ফেরাতে পুরভোটে হেরো প্রার্থীদেরও টিকিট দিচ্ছে বিজেপি! গেরুয়া শিবির সূত্রেই এ খবর মিলেছে। শুধু তাই নয়, দলের প্রথম সারির কয়েকজনকেও নামিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে ওই ভোটে। বিধানসভা নির্বাচনে হার হলেও, পুরভোটে ভালো ফলের স্বপ্ন দেখছে নরেন্দ্র মোদির দল।
{link}
১৯শে ডিসেম্বর রাজ্যের দুই পুরনিগমের ভোট। কলকাতা এবং হাওড়া পুরনিগমের ভোট হলেও, বকেয়া শতাধিক পুরনিগম ও পুরসভার ভোট চলতি বছরেই হচ্ছে না বলে তৃণমূল সূত্রে খবর। কলকাতা এবং হাওড়া দুই পুরনিগমের ক্ষমতায় আসতে মরিয়া রাজ্যের শাসক দল এবং বিজেপি। দিন কয়েকের ব্যবধানে ভবানীপুর সহ রাজ্যের পাঁচ কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বিপুল জয় পেয়েছে তৃণমূল। ভবানীপুরে জয়ী হয়েছেন খোদ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিনহাটা, শান্তিপুর, খড়দহ এবং গোসাবায় জয়ী হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরাই। প্রত্যাশিতভাবে কলকাতা এবং হাওড়া পুরনিগম জয়ের ব্যাপারে এক প্রকার নিশ্চিত তৃণমূল।
তবে বিধানসভা নির্বাচনে লক্ষ্যমাত্রা ২০০ আসনের ধারেকাছে পৌঁছতে পারেনি বিজেপি। হেরে গিয়েছেন রথী-মহারথীরাও। স্বাভাবিকভাবেই মনোবল ভেঙে গিয়েছে দলের নিচুতলার কর্মীদের। এই হারানো মনোবল ফেরাতেই এবার ‘হেরো’ অনেক প্রার্থীকেই পুরভোটে ফের প্রার্থী করছে বিজেপি। প্রার্থী তালিকায় আদি-নব্যের ভারসাম্যও বজায় রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, পুরসভা নির্বাচনে লড়ার অভিজ্ঞতা আছে এমন অনেকেও ঠাঁই পাচ্ছে এবারের প্রার্থী তালিকায়। মহিলা প্রার্থীদেরও এবার বেশি করে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে বিজেপি সূত্রে খবর।
{link}
তবে লড়াই যে খুব একটা সহজ হবে না সেইটা জানে দুই শিবিরই। বহুদিন ধরে কর্পোরেশন বিকল্প পদ্ধতিতে চলার কারনে বহু বিপাকে পড়তে হয়েছে সাধারন মানুষকে। যে কারনে তারা স্বাভাবিক ভাবেই রুষ্ট হয়ে আছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বদের উপর। সাধারন মানুষ কোন দিকে তাদের ভোট দেবেন তা বলা, স্বাভাবিক ভাবেই বলা কঠিন।
