নিজস্ব সংবাদদাতা, নদীয়াঃ ভাগীরথীতে আবারো নতুন করে ফাটল। যার ফলে ফের নিজ ভিটে-মাটি হারানোর আতঙ্কে আতঙ্কিত ভাগীরথী তীরবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষ। নদীয়ার শান্তিপুরের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত ভাগীরথী তীরবর্তী নদীর পাড় গুলিতে আবারো ফাটল দেখা দেয়। ওই এলাকার স্থানীয় মানুষের দাবি আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে ভাগিরথী নদীর পাড়ে গিয়ে দেখেন নতুন করে আবারো ফাটল দেখা দিয়েছে। এরপরেই ঘটনা ও পরিস্থিতিতে কেন্দ্র করে আতঙ্ক সৃষ্টি হয় নদী তীরবর্তী এলাকার বসবাসকারী মানুষের মধ্যে।
{link}
যদিও এই ঘটনা এবারেই প্রথম নয়, এর আগেও ভাগীরথীর পার গুলিতে ভয়াবহ ফাটল দেখা গিয়েছিল। পরিদর্শনে গিয়েছিলেন শান্তিপুরের বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামীও। ব্রজকিশোর গোস্বামীর কাছে এলাকার মানুষ দাবি করেছিলেন এভাবে যদি ফাটল বাড়তে থাকে তাহলে বিঘা বিঘা চাষের জমি থেকে শুরু করে বসতবাড়ি জলে তোলিয়ে যাবে। স্থানীয় মানুষের দাবী অনুযায়ী বিধায়ক আশ্বাস দিয়েছিলেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সমস্যা সমাধান করবেন এছাড়াও ফাটল নিয়ে সের্চ দপ্তরের সাথে আলোচনা করবেন। গত এক মাস আগে নদিয়ার কৃষ্ণনগরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনিক বৈঠক করেন, সেখানেই বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামী শান্তিপুরের গঙ্গা ভাঙ্গনের সমস্যা নিয়ে তুলে ধরেন, যদিও বিষয়টি দেখে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু আজ আবার নতুন করে ভাগীরথীর পাড় গুলিতে ফাটল দেখা দেওয়ায় খুবই আতঙ্কের সাথে দিন কাটাচ্ছে ভাগিরতি নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ।
{link}
এলাকার মানুষের দাবী যখনই ভাগীরথী নদীর পাড় গুলি ভাঙতে শুরু করে তখন প্রাথমিকভাবে বালির বস্তা ফেলা হয়, কিন্তু পাকাপোক্তভাবে কাজ হয়না। সমস্যার সমাধান হলেও তা হয় মূলত হয় আংশিক। সম্পূর্ন সমাধান হয়ে ওঠে না। যার কারণে ছোটখাটো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলেই ফের শুরু হয় ফাটল। বালির বস্তা কখোনই সমস্যাটির সম্পূর্ন সমাধান নয়। যে কারনে এই পাড় ভঙনের সমস্যা নিয়ে রীতিমতো চিন্তায় রয়েছেন ওই এলাকার সাধারন মানুষ। আদৌ কি সমাধান হবে সমস্যার? সেখানেই উঠছে প্রশ্ন।
.jpeg)
