নিজস্ব সংবাদদাতা, বাঁকুড়াঃ কল্যাণী এইমসে নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলার তদন্তে ফের বাঁকুড়ায় এলেন সি.আই.ডি আধিকারিকরা। সোমবার বেলা একটা নাগাদ বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক নীলাদ্রি শেখর দানার শহরের কানকাটার বাড়িতে পৌঁছান চার সদস্যের সি.আই.ডি তদন্তকারীদল। প্রসঙ্গত, কল্যাণীর এইমসে বেআইনীভাবে বিজেপি বিধায়ক নীলাদ্রি শেখর দানার মেয়ে মৈত্রী দানাকে বেআইনীভাবে নিয়োগ হয়েছিল এই অভিযোগে মামলার তদন্তে নেমেছে সি.আই.ডি। গত ১৫ জুলাই এই অভিযোগের তদন্তে সিআইডির সাত সদস্যের প্রতিনিধি দল প্রথমবার বিধায়ক নীলাদ্রি শেখর দানার বাড়িতে এসেছিলেন। সেদিন দীর্ঘ আড়াই ঘন্টা ঐ বাড়িতে কাটিয়ে তাঁরা ফিরে যান। এদিন ফের এক মহিলা আধিকারিক সহ চারছন সিআইডি আধিকারিক ঐ বাড়িতে ঢুকেছেন। সঙ্গে নীলাদ্রি শাখার দানার আইনজীবি রয়েছেন।
{link}
টানা আড়াই ঘন্টা টান টান উত্তেজনা শেষে বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক নীলাদ্রি শেখর দানার বাড়ি থেকে বের হন সি.আই.ডি-র তদন্তকারী আধিকারিকরা। তাঁরা সংবাদ মাধ্যমের সামনে কোন কথা বলতে রাজী হননি। পরে নীলাদ্রি শাখার মেয়ে মৈত্রী দানার আইনজীবি শুভাশীষ দে বাইরে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের বলেন, তিনি জিজ্ঞাসাবাদের সময় উপস্থিত ছিলেন না। শুধুমাত্র মৈত্রীকেই জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সি.আই.ডি আধিকারিকরা। তবে ঐ সময় ওনার মা উপস্থিত ছিলেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, কল্যাণী এইমসে তাঁর মক্কেল সরকারী চাকরী করেননা। একটি বেসরকারী সংস্থার অধীনে চুক্তিভিত্তিক কাজে তিনি নিযুক্ত। চলতি বছরের ১ এপ্রিল কাজে যোগ দিয়েছিলেন আর এই আগষ্টেই সেই চাকরীর মেয়াদ শেষ। তবে এদিন ঠিক কি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তা তার জানা নেই, তবে পুরো জিজ্ঞাসাবাদ পর্বে মৈত্রী দানা পূরো সহযোগীতা করেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। যদিও যতক্ষন পর্যন্ত না সিআইডির তরফ থেকে পরিস্কার করে কিছু জানানো হচ্ছে, বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা অব্যাহত থাকবে।
.jpeg)
